• দশ মিনিটে ডেলিভারি’র প্রতিশ্রুতি নয়, ই-কমার্স সংস্থাগুলিকে পরামর্শ কেন্দ্রের
    বর্তমান | ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
  • নয়াদিল্লি, ১৩ জানুয়ারি: চাই সামাজিক সুরক্ষা ও নিরাপত্তা। সঙ্গে দশ মিনিটে ডেলিভারির টার্গেট থেকে মুক্তি, এই দাবিটুকুই ছিল, যদিও ব্লিঙ্কইট, বিগ বাস্কেটের মতো সংস্থার কর্তৃপক্ষরা সেই দাবি শুনছিল না। তাই গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর দেশজুড়ে ধর্মঘটে যায় অনলাইন ডেলিভারি সংস্থার কর্মচারীরা (‘গিগ’কর্মী)। ডেলিভারি সংস্থার কর্মচারীদের হয়ে সুর চড়ান আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডাও। আজ, মঙ্গলবার সেই ধর্মঘট ও লড়াইয়ের ফসল হাতে পেলেন ডেলিভারি সংস্থার কর্মচারীরা (‘গিগ’কর্মী)। এদিন সুইগি, জোম্যাটো, ব্লিঙ্কইট, জেপ্টোর মতো ই-কমার্স সংস্থাগুলির আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। সেখানেই মন্ত্রীর তরফে বিষয়টি খতিয়ে দেখার ও ১০ মিনিটের ডেলিভারির সিস্টেম বন্ধ করার জন্য অনুরোধ করা হয়। তাতে রাজি হয়েছে ই-কমার্স সংস্থা ব্লিঙ্কইট। তারা জানিয়েছে, এবার থেকে আর ১০ মিনিটে ডেলিভারি করতে হবে না তাদের সংস্থায় কর্মরত ডেলিভারি বয়(গিগ কর্মীদের)। এই বিষয়ে চলতে থাকা বিজ্ঞাপনও বন্ধ করে দেবে তারা। শ্রমমন্ত্রকের পরামর্শ শুনেছে অন্য ই-কমার্স সংস্থাগুলি।যদিও তারা এই মুহূর্তে বিষয়টি নিয়ে কিছুই জানায়নি। ব্লিঙ্কইট জানিয়েছে, নতুন বিজ্ঞাপনগুলিতে লেখা হবে, ‘১০ হাজারেরও বেশি পণ্য মাত্র ১০ মিনিটে ডেলিভারি করা হয়েছে। ৩০ হাজারের বেশি পণ্য আপনার দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছি আমরা।’ আর কেন্দ্রের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডা। ‘টেন মিনিটস ডেলিভারি’র টার্গেট গিগ কর্মীদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়, সেই লক্ষ্যমাত্রা পালন করতে গিয়ে অনেক সময়ই দুর্ঘটনার শিকার হতে হয় ডেলিভারি কর্মীদের। সামাজিক সুরক্ষা পরিষেবার আওতায় এনে তাঁদের কাজের নিরাপত্তা দেওয়ার দাবিও তুলেছিলেন ‘গিগ’কর্মীরা। সবকটি দাবি পূরণ নিয়ে ই-কমার্স সংস্থাগুলি কী পদক্ষেপ করবে সেটা সময় বলবে। তবে ‘টেন মিনিটস ডেলিভারি’র সিস্টেম থেকে আপাতত রেহাই মিলছে এদিনের বৈঠক শেষে তেমনটাই বোঝা যাচ্ছে। 
  • Link to this news (বর্তমান)