বছরের পর বছর কেটে যাচ্ছে। তবু যুদ্ধ থামার কোনও লক্ষণই নেই। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ লড়াই কবে থামবে, কবে আবার দুই দেশ মিলিত হবে তার দিকে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।
চার বছর পরে এখনও অব্যাহত রয়েছে দুই দেশের যুদ্ধ। তবে এরই মধ্যে মিলে গেলেন রাশিয়া ও ইউক্রেনের দুই মহিলা। সৌজন্য: কৃষ্ণ প্রেম।
চলতি বছরেই রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন। এই ভোটযুদ্ধের আগে SIR নিয়েও কার্যত সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। আর এরই মধ্যে কৃষ্ণ প্রেম মিলিয়ে দিল রাশিয়া ও ইউক্রেনের দুই মহিলাকে।নেপথ্যে বাংলার SIR। ওই দুই মহিলা এসেছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে। সেখানেই একই সূত্রে বাঁধা পড়লেন তাঁরা।
প্রায় ২০ বছর আগে দু'জনেই এসেছিলেন ভারতে। এখানে এসে মজে যান হরিনামে। তার পর থেকেই মায়াপুরের ইস্কন মন্দিরে আছেন দু'জনেই। কৃষ্ণ নামকীর্তনে ব্যস্ত করে ফেলেছেন নিজেদের। এখন ভারতই তাঁদের দেশ।
২০ বছর ভারতে বসবাস করার পর নাগরিকত্ব পেয়েছেন তাঁরা। ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে নিজেদেরকে যুক্ত করলেও, এত দিন তাঁরা বঞ্চিত ছিলেন ভোটাধিকার থেকে।
মঙ্গলবার রাশিয়া এবং ইউক্রেনের ওই দুই মহিলা জানান,, আগেও ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন তাঁরা। তবে, সেই আবেদন বাতিল হয়ে যায়। কারণ, তাঁরা দু'জনেই এই দেশের নাগরিক ছিলেন না। তবে, এক সপ্তাহ আগেই ভারত সরকারের থেকে নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট পেয়েছেন তাঁরা। আর তার পরেই SIR আবহে নিজেদের ভোটাধিকার দাবি করে রাজ্যের CEO দপ্তরের শরণাপন্ন হয়েছেন দুই মহিলা।
তাঁরা জানান, SIR-এর গোটা প্রক্রিয়াটি তাঁদের পরিষ্কার ভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল। কী ভাবে অনলাইন-অফলাইনে ফর্ম ফিলাপ করতে হবে, তার বিস্তারিত জানিয়ে দেওয়া হয় তাঁদের।
সব মিলিয়ে, দুই দেশ যখন দ্বন্দ্বে লিপ্ত, তখন ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের প্রক্রিয়া যে দুই দেশকে এক সূত্রে বেঁধে দিল, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।