• দুর্নীতি দমন আইনের ১৭এ ধারার বৈধতা নিয়ে মামলা, খণ্ডিত রায় শীর্ষ আদালতের
    বর্তমান | ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
  • নয়াদিল্লি: দুর্নীতি দমন আইনের বিতর্কিত ধারা নিয়ে মামলায় দ্বিখণ্ডিত রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। ১৯৮৮ সালের এই আইনে ১৭ এ ধারা মোদি সরকারের আমলে সংশোধন করা হয়।আইনের সংশোধিত ধারায় সরকারি কর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য আগাম অনুমতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। এই ধারার সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের মামলায় দ্বিধাবিভক্ত রায় দিল বিচারপতি বি ভি নাগরত্না ও বিচারপতি কে ভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চ। মঙ্গলবার বিচারপতি নাগরত্না ওই ধারাকে অসাংবিধানিক আখ্যা দিয়ে তা বাতিল করার পক্ষে রায় দিয়েছেন। যদিও বিচারপতি বিশ্বনাথন সৎ অফিসারদের সুরক্ষার প্রয়োজনের কথা বলে ধারাটিকে সাংবিধানিক আখ্যা দিয়েছেন। ফলে মামলাটি এখন প্রধান বিচারপতির সূর্য কান্তের কাছে যাবে। তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করবেন। 

    ২০১৮ সালের ওই সংশোধিত ধারায় বলা হয়েছে, কর্তব্য পালনের সময় কোনও সুপারিশ বা সিদ্ধান্তের জন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়া সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ বা তাঁর বিরুদ্ধে কোনও তদন্ত করা যাবে না। দুর্নীতি দমন আইনের সংশোধিত ১৭এ ধারার বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে সেন্টার ফর পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশন (সিপিআইএল)।  মামলার রায়ে বিচারপতি নাগরত্না বলেন, আগাম অনুমতির এই ধারা দুর্নীতি দমন আইনেরই পরিপন্থী। তা তদন্তের রাস্তা বন্ধ করে। এক কথায় তা দুর্নীতিগ্রস্তদের রক্ষাকবচ হয়ে দাঁড়ায়। তিনি বলেছেন, ১৭ এ ধারা অসাংবিধানিক। তা খারিজ হওয়া উচিত। কোনও আগাম অনুমতির প্রয়োজন নেই। যদিও এব্যাপারে ভিন্নমত পোষণ করেছেন বেঞ্চের অন্য বিচারপতি বিশ্বনাথন। তিনি বলেছেন, ওই ধারা বাতিলের অর্থ হল ঠক বাছতে গাঁ উজাড় করার শামিল। বিচারপতি বিশ্বনাথন তাঁর রায়ে বলেছেন, ১৭ ধারা সাংবিধানিক ভাবে বৈধ। 
  • Link to this news (বর্তমান)