নতুন বছরের প্রথম মাসেই পশ্চিমবঙ্গে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেইসঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল মানচিত্রে ঐতিহাসিক দিন হতে চলেছে ১৭ জানুয়ারি। সব ঠিক থাকলে ওই দিন মালদায় পা রাখছেন নরেন্দ্র মোদী। তাঁর হাত ধরেই সূচনা হতে চলেছে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন-যা হাওড়া থেকে গুয়াহাটি রুটে চলবে। শুধু ট্রেনের উদ্বোধন নয়, ওই দিন প্রধানমন্ত্রী নিজেও নতুন বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে সফর করবেন মালদা টাউন থেকে নিউ ফরাক্কা জংশন পর্যন্ত। বন্দে ভারত স্লিপারের পাশাপাশি বাংলার জন্য দুটি অমৃত ভারত এক্সপ্রেসেরও সেদিন উদ্বোধন করার কথা রয়েছে মোদীর। শিয়ালদা থেকে বারাণসী ও হাওড়া থেকে দিল্লিগামী অমৃত ভারতের সূচনা হতে পারে এদিন। আর প্রধানমন্ত্রীর এই সফর নিয়ে এবার মুখ খুললেন রাজ্যপাল। সিভি আনন্দ বোস বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলার উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখে চলেছেন। এটি তার সঙ্গে আরও একটি সংযোজন। ধারাবাহিকভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।'
প্রধানমন্ত্রী মোদীর আসন্ন রাজ্য সফর সম্পর্কে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেছেন, 'প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলার উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখে চলেছেন। এটি তারই একটি সংযোজন। বাংলার জনগণের উপকারের জন্য তিনি যে অবদান রেখেছেন এটি সেই ধারাবাহিকতায় একটি অংশ।'
রাজ্যে SIR বিতর্ক নিয়েও মুখ খোলেন রাজ্যপাল। সিভি আনন্দ বোস বলেন, 'নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগগুলি যথাযথভাবে সমাধান করা উচিত এবং আমি নিশ্চিত যে জাতি এতে আত্মবিশ্বাসী। প্রধান নির্বাচন কমিশনার সাধারণত যে ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেন তাও এতে প্রতিফলিত হবে। প্রতিটি সমস্যারই একটি সমাধান আছে। ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশন অবশ্যই লক্ষ্য রাখবে যে এই কথিত, কাল্পনিক বা বাস্তব সমস্যাগুলির জন্য একটি সঠিক সমাধান খুঁজে বের করা হয়েছে।'
প্রসঙ্গত, রাজ্যের ভোটার তালিকা সংশোধন এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে নবান্ন থেকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশন-বিজেপিকে এক আসনে বসিয়ে তোপ দেগেছেন তিনি। মঙ্গলবার নবান্নে এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’-র নামে রাজ্যে প্রায় এক কোটি ভোটারের নাম বাদের চক্রান্ত চলছে।