• নন্দীগ্রামেও সেবাশ্রয়! 'প্রতিবছর হবে, পারলে আটকে দেখাক', চ্যালেঞ্জ অভিষেকের..
    ২৪ ঘন্টা | ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
  • জি ২৪ ঘন্টা ডিজিটাল ব্যুরো: নন্দীগ্রামেও এবার সেবাশ্রয়। 'প্রতিবছর হবে, পারলে আটকে দেখাক', চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা, 'পাঁচ বছরে বিজেপিতে গিয়ে কি এনে দিয়েছে? একটু সাহায্যের হাতও বাড়াইনি' । 

    আরজি কর কাণ্ডের রেশ তখনও কাটেনি পুরোপুরি। ২০২৪ সালের নভেম্বরে নিজের লোকসভা কেন্দ্রে 'সেবাশ্রয়' শুরু করেন অভিষেক।  তাঁর সেই উদ্য়োগে রীতিমতো সাড়া পড়ে যায় রাজ্যে। যে কেন্দ্রের বিধায়ক খোদ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, সেই নন্দীগ্রামেও 'সেবাশ্রয়ে' দাবি তুলেছিলেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। অবশেষে শুভেন্দু গড়ে শুরু হল অভিষেকের কর্মসূচি।

    এদিন নন্দীগ্রামে 'সেবাশ্রয়' কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শহীদ পরিবারের সদস্যরা। অভিষেক বলেন, 'সেবাশ্রয়ের কথা দিয়েছিলাম।  আমাকে তিন চারশো লোক ফোন করত। নন্দীগ্রামে বিধায়ক সাংসদ নেই। তাই আমাকেই সেবাশ্রয়ের দায়িত্ব তুলে নিতে হল। আগামী পনেরো দিন ধরে ক্যাম্প হবে'। তাঁর কথায়, 'শহীদ পরিবার গুলোকে অনেকে ভুলে গিয়েছেন। ওরা এসেছিলেন। শহীদদের অবদান চিরকাল নন্দীগ্রামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে'। 

    অভিষেক বলেন, 'নভেম্বরে ২ দিন মেডিক্য়াল ক্যাম্প করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তারপর সেবাশ্রয়ের পোস্টার দেখে আবার শুরু করেছে। মানুষ অরিজিনাল পেলে ডুপ্লিকেটে  যাবে কেন? পোস্টার ছেঁড়া একটা হতাশার বহিঃপ্রকাশ'। নাম না করে তাঁর আরও বক্তব্য, 'পাঁচ বছর বিজেপির বিধায়ক। উন্নয়নের খতিয়ান কোথায় ? তৃণমূলে যখন ছিলেন খতিয়ান দিতেন । এখন কাজ কোথায় ? যারা সকাল থেকে ভাট বকে, তারাও সেবাশ্রয়ে  এসে মাথাটা দেখিয়ে যাক।  নন্দীগ্রামে তৃণমূলে জিতলে অঞ্চলে অঞ্চলে সেবা শ্রয় হবে' । 

    বাদ যায়নি SIR প্রসঙ্গ। অভিষেকের দাবি, 'ভোটের চুরি ভোটার তালিকায় হচ্ছে । অরবিন্দ কেজরিওয়ালের ক্ষেত্রে এটাই করেছিল। ওখানে ফর্ম সেভেন দিয়ে কুড়ি হাজার ভোট কেটেছে । এই চুরি কেজরিওয়াল ধরতে পারেনি'। তাঁর সাফ কথা, 'শুভেন্দুর মাথার গোলমাল হলে মাথা দেখিয়ে যাক। অধিকারী পদবি বলেই কি ওর অধিকার আছে নাকি? সেবাশ্রয়ের  টাকা কোথা থেকে আসছে! আয়কর দপ্তর আছে, ইডি সিবিআই আছে'। 

    একুশের বিধানসভা নন্দীগ্রামে প্রার্থী হয়েছিলেন খোদ মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। বিপক্ষে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। দিনভর হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর অবশ্য হেরে যান তৃণমূল সুপ্রিমো। অভিষেক বলেন, নন্দীগ্রামে তৃণমূল জেতেনি । কিন্তু মানুষের কাজ করেছে। SIR-এ এই জেলায় আট জন মারা গিয়েছে। দায় কার? আট জনের মধ্যে পাঁচ জন হিন্দু। বিরোধী দলনেতা কি দেখা করতে গিয়েছে'? সঙ্গে হুঁশিয়ারি, 'লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সি শুধু বাংলাতেই হচ্ছে!  ডিস্ক্রিপেনসি তালিকা প্রকাশ্যে আনতে হবে । নাহলে এরাজ্য ও দিল্লি সর্বত্র আন্দোলন হবে'।

  • Link to this news (২৪ ঘন্টা)