• রাঁচির ইডি দপ্তরে হানা ঝাড়খণ্ড পুলিশের, শুরু রাজনৈতিক তরজা
    বর্তমান | ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
  • রাঁচি: পশ্চিমবঙ্গে আইপ্যাক-কাণ্ডের পর ইডি বনাম পুলিশ দ্বন্দ্ব নিয়ে তরজা তুঙ্গে। এর মধ্যেই পড়শি রাজ্য ঝাড়খণ্ডেও নজিরবিহীন সংঘাতের আবহ। এবার কেন্দ্রীয় এজেন্সির রাঁচির দপ্তরে হানা দিল রাজ্য পুলিশের বিশাল টিম। সেখান থেকে তারা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছেন বলে খবর। পুলিশের হানার পরই ইডি অফিসের বাইরে বেড়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রহরা। বৃহস্পতিবারের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা।

    জানা গিয়েছে, জল সরবরাহ সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলার তদন্তে জল ও নিকাশি বিভাগের প্রাক্তন এক সরকারি কর্মীকে তলব করেছিল ইডি। জেরার সময় তাঁকে হেনস্তা ও বেধড়ক মারধর করা হয়। ওই ব্যক্তির মাথাও ফেটে যায় বলে অভিযোগ। ইডির দপ্তর থেকে বেরিয়ে এয়ারপোর্ট থানার দ্বারস্থ হন ওই প্রাক্তন সরকারি কর্মী। তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। সেই ঘটনার তদন্তেই বৃহস্পতিবার সকালে রাঁচির ইডি অফিসের হানা দেয় ঝাড়খণ্ড পুলিশের বিরাট বাহিনী। নেতৃত্বে ছিলেন ডিএসপি পদমর্যাদার আধিকারিক ও এয়ারপোর্ট থানার ইন-চার্জ। এই হানার ব্যাপারে রাঁচি পুলিশের তরফে কোনও বিবৃতি জারি করা হয়নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রাক্তন সরকারি কর্মীকে হেনস্তার ঘটনার তদন্তে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখতেই পুলিশ ইডি দপ্তরে গিয়েছিল। 

    এই ইস্যুতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা ঝাড়খণ্ড জনমুক্তি মোর্চার সুপ্রিমো হেমন্ত সোরেনকে কড়া আক্রমণ করেছেন বিরোধী দলনেতা বাবুলাল মারান্ডি। তাঁর অভিযোগ, হেমন্তর বিরুদ্ধে ইডির কাছে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির তথ্যপ্রমাণ রয়েছে। সেই তথ্যগুলি  নষ্ট করতেই এই তল্লাশি অভিযান চালাতে পারে রাজ্য পুলিশ।

     প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে ইডির বিরুদ্ধে তল্লাশির নামে তাঁকে হেনস্তার অভিযোগ করেছিলেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী।
  • Link to this news (বর্তমান)