• পুরসভায় ক্ষমতার সঙ্গে তৃণমূলের বিধায়ক হলে শহরে দ্বিগুণ উন্নয়ন, মালদহ আসনে প্রচারে বাসিন্দাদের বার্তা তৃণমূলের
    বর্তমান | ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
  • সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: তৃণমূল পরিচালিত পুরাতন মালদহ পুরসভায় ২০টি ওয়ার্ডে গত কয়েক বছরে ঢালাও উন্নয়ন হয়েছে বলে দাবি। ওই পুরসভা এলাকা পড়ে মালদহ বিধানসভায়। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে সেই কেন্দ্র থেকে যদি তৃণমূল প্রার্থীকে জেতানো হয়, শহরের উন্নয়নের গতি আরও বাড়বে। সেক্ষেত্রে, তৃণমূল বিধায়ক তাঁর ফান্ডকে কাজে লাগিয়ে শহরে উন্নত মানের অডিটোরিয়াম, খেলার আধুনিক স্টেডিয়াম তৈরির ক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারবেন। তাতে পুরসভা কর্তৃপক্ষের অনেকটাই সুবিধা হবে। ভোট মরশুমে শহরের মানুষের কাছে এমনই বার্তা পৌঁছে দেবে তৃণমূল।

    শাসক দলের আশা, বাসিন্দারা এবার উন্নয়নের পক্ষে ভোট দেবেন। বৃহস্পতিবার পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে পাড়ায় সমাধান প্রকল্পে কাজের সূচনা হয়। কয়েক মাসে সব কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আশা পুর কর্তৃপক্ষের। পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বলেন, ২০ টি ওয়ার্ডে ৬২টি বুথে  প্রায় ৭ কোটি টাকার কাজ হচ্ছে। মানুষের জন্য পুরসভা সব সময় কাজ করছে। যদি এখানে  দলের বিধায়ক থাকেন, উন্নয়নের গতি বাড়বে। মানুষকে সেটাই বোঝাব।

    মালদহ বিধানসভা আসনে তৃণমূল কোনও দিন জিততে পারেনি। ২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের সময় তৃণমূলের সমর্থনে জিতেছিল কংগ্রেস। ২০১৬ সালে সিপিএমের সমর্থনে ফের কংগ্রেস ওই আসন পায়। ২০২১ সালে বিজেপির প্রার্থী জিতেছিলেন। তবে, পুরসভা ভোটে বিজেপির প্রার্থীরা ধরাশায়ী হন। ২০টি মধ্যে ১৮টি ওয়ার্ডে বাজিমাত করে তৃণমূল। শহরের শরৎচন্দ্র মার্কেটের নতুন করে নির্মাণের কাজ, কালাচাঁদ স্কুলের মাঠ সংস্কার, রাস্তায় একাধিক পথবাতি সহ একাধিক উন্নয়নমূলক কাজ তৃণমূলের বোর্ড করেছে বলে দাবি। তৃণমূলের মালদহ জেলা কমিটির এগজিকিউটিভ সদস্য মন্তোষ সাহা বলেন, প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে পুরাতন মালদহে যখন আমরা দল করতাম, তৃণমূলের সংগঠন বলতে তেমন কিছু ছিল না। বর্তমানে আমাদের ১৮ জন কাউন্সিলার। এই বিধানসভা আসন জেতাতে সবাইকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে।  পুরাতন মালদহে শরৎচন্দ্র মার্কেটের নির্মাণকাজ চলছে।-নিজস্ব চিত্র
  • Link to this news (বর্তমান)