নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যে প্রার্থীর মামলার ভিত্তিতে ২০১৬ আরএলএসটি’র গ্রুপ ডি প্যানেল সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করেছিল, সেই লক্ষ্মী তুঙ্গর নামই দাগি তালিকায়। বুধবার এসএসসি’র তরফে ১৮৫৩ জন শিক্ষাকর্মীর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে যাঁদের চাকরির জন্য সুপারিশই করা হয়নি। সিবিআই যেসব প্রার্থীর নাম ‘ওএমআর মিসম্যাচ’ (প্রাপ্ত নম্বরের সঙ্গে ওএমআরের মিল নেই) হিসেবে পেয়েছে, তাতেও এঁদের নাম ছিল। এসএসসি’র তালিকার ৬৪৪তম নামটিই নন্দীগ্রামের বাসিন্দা লক্ষ্মী তুঙ্গর। ফলে, চাকরিহারা যোগ্য শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে যেমন প্রশ্ন তুলেছেন, তেমনই এই প্রার্থী ও তাঁদের আইনজীবীদেরও অভিযোগের কাঠগড়ায় তুলছেন।
এর আগে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগের প্রধান মামলাকারী ববিতা সরকারের বিরুদ্ধে শিক্ষাগত যোগ্যতায় প্রাপ্ত নম্বরের ভুল হিসেব জমা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। চাকরি পেলেও তা বাতিল করা হয়। এবার একই সারিতে বঞ্চনার অভিযোগ এনে মামলা করা লক্ষ্মী তুঙ্গও। তাঁর প্রাথমিক অভিযোগ ছিল, তিনি টাকা দিতে রাজি না-হওয়ায় তাঁর চাকরি নিশ্চিত হয়নি। তার ভিত্তিতেই মামলা শুরু হয়েছিল। অনেক চেষ্টা করেও রাত ৯টা পর্যন্ত এ বিষয়ে লক্ষ্মীদেবীর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। জনৈক চাকরিহারা যোগ্য প্রার্থী সংগীতা সাহা বলেন, ‘এই ঘটনায় আদালত, মামলাকারী, তাঁর আইনজীবীরা এবং এসএসসি, কেউই দায়িত্ব এড়াতে পারেন না। মাঝখান থেকে ভুক্তভোগী হতে হয়েছে যোগ্য প্রার্থীদের। যোগ্যতা প্রমাণ করে চাকরি পাওয়া সত্ত্বেও শিক্ষাকর্মীদের সকলের বেতনই বন্ধ হয়ে গিয়েছে।’ লক্ষ্মী তুঙ্গ। -ফাইল চিত্র