• এলাকায় হাতির আতঙ্ক, শুনানির জন্য বিশেষ কেন্দ্রের ব্যবস্থা করল জেলা প্রশাসন
    এই সময় | ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
  • চলছে SIR-এর শুনানি। একাধিক কারণে শুনানির নোটিস পেয়েছেন জঙ্গলমহলের অনেকেই। নিয়ম অনুযায়ী সাত থেকে দশ দিনের ব্যবধানে নোটিস ইস্যু হচ্ছে। ওই নোটিস পাওয়ার পরেই নির্দিষ্ট দিনে ক্যাম্পে যেতে হচ্ছে তাঁদের।

    এদিকে, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার জঙ্গলমহল এলাকা বলে পরিচিত স্থানে অবস্থান করছে শতাধিক হাতি। হাতির কারণে শুনানি কেন্দ্রে যাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে সমস্যা। সেই কথা মাথায় রেখেই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন বিষয়টি জানিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে। তারপরই এই সমস্যা মেটানোর জন্য পদক্ষেপ করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি ব্লকের পিড়াকাটা কমিউনিটি হলে হয় শুনানি। যে এলাকার বাসিন্দাদের শুনানি তাঁদের একটি অংশ শালবনির এবং অন্য একটি অংশ মেদিনীপুর বিধানসভার অন্তর্গত।

    শালবনির বিডিও রোমান মন্ডল জানান, ওই ব্লকে দু'টি বিধানসভার অংশ রয়েছে।কলসিভাঙ্গা, সাতপাটি, কলাইমুড়ি, গড়মাল, লালগেড়িয়া, ভীমপুর এলাকার গ্রামের মানুষেরা শুনানি কেন্দ্রে আসছেন বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি থেকে। সেই মতো নোটিস দেওয়া হয়েছে।

    মেদিনীপুর সদরের মহকুমাশাসক তথা ইআরও মধুমিতা মুখোপাধ্যায় জানান, ওই এলাকায় হাতির দল ঘুরে বেড়াচ্ছে। ওই গ্রামগুলির বাসিন্দাদের যাতে শুনানি কেন্দ্রে আসতে কোনও সমস্যা না হয় সেই দিকে লক্ষ্য রেখে পদক্ষেপ করতে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘হাতির কারণে ওই সব গ্রামের মানুষদের জন্য বিশেষ শুনানি কেন্দ্র করা হয়েছে। হাতির অবস্থান বুঝেই ওই সব গ্রামের মানুষেরা পৌঁছতে পারবেন গ্রামের পাশেই বিশেষ শুনানি কেন্দ্রে।’

    এরই পাশাপাশি বন দপ্তরের কর্মীদেরকেও বিশেষ সতর্ক থাকার জন্য বলা হয়েছে। ওই এলাকার আশেপাশে হাতি এলেই তাদের জঙ্গলে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • Link to this news (এই সময়)