পিএনবি কেলেঙ্কারি: মেহুল-পুত্রও তছরুপে যুক্ত, দাবি ইডির
বর্তমান | ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
নয়াদিল্লি: পিএনবি কেলেঙ্কারি মামলায় অভিযুক্ত হীরে ব্যবসায়ী মেহুল চোকসিকে দেশে ফেরানোর চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন। এরইমধ্যে ওই ঘটনায় প্রথমবার খাতায় কলমে মেহুল-পুত্র রোহনের নাম উল্লেখ করল ইডি। দিল্লিতে বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি সংক্রান্ত আপিলেট ট্রাইবিউনালে কেন্দ্রীয় সংস্থা জানিয়েছে, আর্থিক তছরুপকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন রোহন। এখন পর্যন্ত কোনও এফআইআর-চর্জিশিটে রোহন চোকসির নাম উল্লেখ করেনি ইডি-সিবিআই।ট্রাইবিউনালে ইডি জানিয়েছে, একাধিক ভুয়ো সংস্থার ডিরেক্টর ছিলেন পলাতক হীরে ব্যবসায়ী। এর মধ্যে অন্যতম লাস্টার ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাইভেট লিমিটেড। ওই সংস্থায় রাহুলের ৯৯.৯৯ শতাংশ অংশীদারিত্ব রয়েছে। অভিযোগ, লাস্টার ইন্ডাস্ট্রিজের নামে বিদেশে টাকা পাঠানো হত। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, সিঙ্গাপুরের মার্লিন লাকশারি গ্রুপ প্রাইভেট লিমিটেডকে প্রায় ৮১ লক্ষ ৬০ টাকা পাঠিয়েছিল এশিয়ান ডায়মন্ড অ্যান্ড জুয়েলারি এফজেডই। সিঙ্গাপুরের ওই কোম্পনি মেহুলের নিয়ন্ত্রণে ছিল। লেনদেন সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ করত লাস্টার ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাইভেট লিমিটেড। পিএনবি কেলেঙ্কারির তদন্তে নেমে চোকসি পরিবারের একাধিক সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। তালিকায় মুম্বইয়ের একটি সম্পত্তি রয়েছে। যার মালিক রোহন চোকসি। সম্প্রতি এবিষয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন মেহুল-পুত্র।