• ক্যানিংয়ে তরুণী হোমগার্ডের মৃত্যু রহস্যের তদন্তভার নিল সিআইডি
    বর্তমান | ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ক্যানিং থানার মহিলা হোমগার্ড গুলজান পারভিন মোল্লার মৃত্যু-রহস্যের কিনারা করতে তদন্তভার হাতে নিল সিআইডি। হোমগার্ডের সঙ্গে ক্যানিং থানার সাব-ইনসপেক্টর সায়ন ভট্টাচার্যের শ্যালকের অবৈধ সম্পর্ক ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে চান তাঁরা। এই ঘটনায় প্রথমে নাম জড়ায় ওই থানার সাব ইনসপেক্টর সায়নের। তার ভিত্তিতে ক্যানিং থানা তাঁকে গ্রেপ্তারও করে। পরে তদন্ত নতুন দিকে মোড় নেওয়ায় তদন্তভার দেওয়া হল সিআইডিকে। একইসঙ্গে অফিসার সায়নের ডিএনএ পরীক্ষাও করা হয়েছে।২০২৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর ক্যানিং থানা লাগোয়া মহিলা পুলিশ বারাক থেকে  মহিলা হোমগার্ড পারভিনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর পরিবারের অভিযোগ, ওই তরুণীর সঙ্গে থানার সাব-ইনসপেক্টর সায়ন ভট্টাচার্যের অবৈধ সম্পর্ক ছিল। তা জানাজানি হওয়ায় খুন করে পারভিনকে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে উত্তাল হয় গোটা এলাকা। গত ১ জানুয়ারি ওই সাব ইনসপেক্টরকে গ্রেপ্তার করে ক্যানিং থানা।তদন্তে নেমে ওই হোমগার্ডের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন অফিসাররা। সেখানে নতুন তথ্য বেরিয়ে আসে। জানা যায়, অফিসার সায়নের শ্যালক ক্যানিং থানায় আসত। ঘটনাচক্রে তার নামও সায়ন। সেখানে তার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয় ওই তরুণীর। ওই যুবক বারাকে এসে কথা বলত ওই হোমগার্ডের সঙ্গে। পারভিনের পরিবার প্রথমে ওই সায়নকে না পেয়ে পুলিশের সাব-ইনসপেক্টর সায়নের নামে অভিযোগ করে বসে! তদন্তে জানা যায়, নাম বিভ্রাটেই যত গণ্ডগোল। প্রাথমিকভাবে তদন্তে ওই ঘটনায় অফিসার সায়নের কোনো যোগ মেলেনি। হোমগার্ড তরুণী অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। গর্ভস্থ সন্তান সাব-ইনসপেক্টর সায়নের কি না, তা নিশ্চিত হতে তাঁর ডিএনএ পরীক্ষা করানো হয়েছে। সেই রিপোর্টের অপেক্ষা করছেন তদন্তকারীরা। সেই রিপোর্ট নেগেটিভ এলে ওই অফিসারকে ক্লিনচিট দেওয়া যাবে। তবে তাঁর শ্যালক ঘটনার পর থেকেই বেপাত্তা। তার খোঁজ শুরু হয়েছে। একইসঙ্গে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ওই তরুণী আত্মঘাতী হয়েছেন।
  • Link to this news (বর্তমান)