• জি ২৪ ঘণ্টার সাংবাদিক সোমা মাইতির উপর হামলার তীব্র নিন্দা মোদীর! বললেন...
    ২৪ ঘন্টা | ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
  • জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: টতৃণমূলের রাজত্বে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্য়ালয়েও মহিলারা সুরক্ষিত  নয়'। বেলডাঙায় জি ২৪ ঘণ্টার প্রতিনিধি সোমা মাইতির উপর হামলার তীব্র নিন্দা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বললেন, 'বাংলার পরিবর্তন আনাই এখানকার যুবক ও মা-বোনের  সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। কালই দেখলাম, এক মহিলা সাংবাদিকের সঙ্গে তৃণমূলের গুণ্ডারা কত অভদ্রতা করেছে! প্রশাসন এতটাই নির্মম যে, মহিলাদের কথা কেউ শোনে না। নির্যাতিতার বাবা-মাকে কোর্টে যেতে হয়। এই পরিস্থিতিতে বদলাতে হবে'।

    ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গিয়েছে। এখনও হাসপাতালে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন আমাদের প্রতিনিধি সোমা ও চিত্র সাংবাদিক রঞ্জিত মাহাতো। আজ, শনিবার তাদের দেখতে হাসপাতালে যান কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তিনি বলেন,'নিন্দা করার যদি নির্দিষ্ট কোনও ভাষা থাকত, তাহলে এককথায় বলা যেত। একজন মহিলা পরিচিত হোক বা না হোক। তিনি সাংবাদিক হোক বা না হোক। তিনি একজন মানুষ আবার মহিলা, তাঁকে প্রকাশ্যে দিবালোকে পুলিসের উপস্থিতিতে তাড়া করছে। পুলিসকে বলব যদি মানইজ্জত বোধ বলে কিছু থাকে, বাড়িতে মা-বোন থাকে তাহলে কোনও দিকে না তাকিয়ে সোজা ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।' 

    এদিকে  বেলডাঙায় জি ২৪ ঘণ্টার প্রতিনিধি সোমা মাইতি আক্রান্তের ঘটনায় অবশেষে টনক নড়ল পুলিসের। দায়েক করা হল স্বতঃপ্রণোদিত মামলা।  আজ, শনিবার তাঁর সঙ্গে দেখা করতে হাসপাতালে যেতে পারে বলে খবর।

    বহরমপুর থেকে কৃষ্ণনগরগামী ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক। গতকাল শুক্রবার সকাল ৮ থেকে অবরোধ চলছিল বেলডাঙার মহেশপুরে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে। এলাকায় বিশাল যানজট। পুলিস স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে অবরোধ তোলার চেষ্টা করে। কিন্তু অবরোধ তুলতে নারাজ হয়নি স্থানীয়রা। মহেশপুর আন্ডারপাসের কাছে রেল অবরোধের জন্য আটকে পড়ে  রানাঘাট থেকে লালগোলাগামী ট্রেন ও হাজারদুয়ারী এক্সপ্রেস।  

    বেলেডাঙায় খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন জি ২৪ ঘন্টার প্রতিনিধি সোমা মাইতি। মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় চিত্র সাংবাদিকের। ছবি তুললে বন্ধ করে দেওয়া হয় ক্যামেরা। কেড়ে নেওয়া হয় প্রতিনিধির ফোন। সাংবাদিক সোমা মাইতি জানিয়েছেন, পুলিসের কাছে কাতর আর্তি জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি।

    এদিকে নিরাপত্তাজনিত কারণে কৃষ্ণনগর–লালগোলা শাখায় আপাতত ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ওই নির্দিষ্ট সেকশনে কোনও ট্রেন চালানো হবে না বলে জানানো হয়েছে রেলের তরফে। রেলের মতে,  এই পরিস্থিতিতে কৃষ্ণনগর থেকে লালগোলা পর্যন্ত ট্রেন চালানো একেবারেই নিরাপদ নয়। যদি এই অংশ দিয়ে ট্রেন চালানো হয়, তাহলে রেল পরিকাঠামো এবং যাত্রী নিরাপত্তা গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। সেই কারণেই পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত লালগোলা সেকশনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  • Link to this news (২৪ ঘন্টা)