• মহারাষ্ট্র পুরভোট: জেল থেকে জয়ী দুই মহিলা, নব-নির্বাচিত একাধিক কাউন্সিলারের দাগি-যোগ
    বর্তমান | ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
  • মুম্বই: জেলে থেকেই মহারাষ্ট্র পুরভোটে জয়ী হলেন দুই মহিলা। তাঁদের নাম সোনালি আন্দেকার ও লক্ষ্মী আন্দেকার। পুনে পুরসভায় জয়ী এই দু’জনই জেলবন্দি গ্যাংস্টার সূর্যকান্ত ওরফে বান্দু আন্দেকারের আত্মীয়া। সেও বর্তমানে জেলবন্দি। নিজের নাতিকেই খুনের অভিযোগে কারাদণ্ড হয়েছে সূর্যকান্তের।জানা গিয়েছে, সোনালি ও লক্ষ্মী দু’জনেই জয়ী হয়েছেন উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের এনসিপির টিকিটে। যদিও গ্যাংস্টারের আত্মীয়দের প্রার্থী করা নিয়ে শরিক দলকেই নিশানা করেছিল বিজেপি। জানা গিয়েছে, এনসিপির প্রাক্তন কাউন্সিলার বনরাজ আন্দেকারের স্ত্রী হলেন সোনালি। ২০২৪ সালে সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরে বনরাজকে খুন করে তাঁর ভগ্নিপতি গণেশ কোমকার। ওই ঘটনার একবছর বাদে গণেশের ছেলে ১৯ বছর বয়সি আয়ুষকে খুন করা হয়। এই মামলায় বান্দু, তাঁর ছেলে কৃষ্ণা, সোনালি, লক্ষ্মী সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বান্দু, সোনালি ও লক্ষ্মী বর্তমানে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছে। তা সত্ত্বেও দুই মহিলাকে টিকিট দেওয়ায় তুমুল সমালোচনা শুরু হয়েছিল।অন্যদিকে, নাগপুরে সাম্প্রদায়িক হিংসায় অভিযুক্ত ফাহিম খানের স্ত্রীও ভোটে জয়ী হয়েছে। মাইনরিটি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রধান পদে রয়েছেন ফাহিম। গত বছর মার্চ মাসে হিংসায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল মহারাষ্ট্রের নাগপুর। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হিসেবে নাম উঠেছিল ফাহিমের। এবার মহারাষ্ট্র পুরভোটে তাঁর স্ত্রী আলিশা খান মিমের টিকিটে জয়ী হয়েছেন। নাগপুর পুরসভার আশিমগর জোনের ৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তিনি জয়লাভ করেছেন।গোষ্ঠী সংঘর্ষে অভিযুক্তের স্ত্রী কীভাবে জিতলেন? মিমের প্রাক্তন সভাপতি শাহিদ রাঙ্গুনওয়ালার দাবি, নাগপুরে অশান্তির পরই আলিশা ও ফাহিমের বাড়ি অসাংবিধানিকভাবে ভেঙে গুড়িয়ে দেয় প্রশাসন। তাই তাঁদের প্রতি স্থানীয়দের সহানভূতি তৈরি হয়েছিল। সেকারণেই তাঁরা ভোট দিয়েছেন।
  • Link to this news (বর্তমান)