ভেরিফিকেশন ছাড়াই মেডিকেল মডিউলের জঙ্গিদের আলা ফালাহে নিয়োগ, দাবি ইডির
বর্তমান | ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
নয়াদিল্লি: কোনো স্ক্রুটিনি বা পুলিশ ভেরিফিকেশন ছাড়াই তিন চিকিত্সককে নিয়োগ করেছিল ফরিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়। আর্থিক দুর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়ে এমনই তথ্য পেয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ওই তিন চিকিত্সকই পরে জঙ্গি মডিউলের সদস্য হিসেবে কাজ করত। এদের দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে এনআইএ। আর অপর চিকিত্সক-জঙ্গি লালকেল্লার সামনে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটায়। আল ফালাহ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগে শুক্রবারই চার্জশিট জমা দিয়েছে ইডি। ওই চার্জশিটে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একাধিক বেআইনি কাজকর্মের কথা উল্লেখ করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থাটি।২৬০ পাতার চার্জশিটে বলা হয়েছে, আল ফালাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান জাওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকি এবং আল ফালাহ চ্যারিটেবল ট্রাস্ট পড়ুয়াদের থেকে ফি বাবদ প্রাপ্ত টাকা দিয়ে বিভিন্ন বেআইনি তহবিল তৈরি করেছিল। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি ও অনুমোদন নিয়ে নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করা হত। ইডির চার্জশিটে বলা হয়েছে, আল ফালাহ কর্তৃপক্ষ মেডিকেল কলেজের জন্য শুধুমাত্র কাগজে-কলমে একাধিক চিকিত্সককে অধ্যাপককে নিয়োগ করেছিল। তাঁরা আল ফালাহের মেডিকেল কলেজে ক্লাসও নেননি, চিকিত্সাও করেননি। অথচ, তাঁদের জন্য বেতনের ব্যবস্থাও করা হয়। ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশনের প্রয়োজনীয় অনুমোদন পেতেই এসব নিয়োগের কথা নথিতে উল্লেখ থাকত। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ইডির কাছে জানিয়েছেন, কিছু যাচাই না করেই ডাঃ মুজাম্মিল গনি, ডাঃ শাহিন ও ডাঃ উমর নবিকে নিয়োগ করা হয়। অথচ এদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই আগে বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছিল। প্রত্যেককে নিয়োগের ছাড়পত্র দিয়েছিলেন সিদ্দিকি। এর মধ্যে উমর লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণ ঘটায়।