বিশ্বভারতী বাংলা বিভাগে অধ্যাপক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ
বর্তমান | ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
সংবাদদাতা, বোলপুর: বিশ্বভারতীতে সহকারী ও সহযোগী অধ্যাপক পদে নিয়োগে যোগ্য ব্যক্তিদের ডাকা হচ্ছে না। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলেছিলেন কয়েকজন অধ্যাপক। এই বিষয়টি নিয়ে তাঁরা রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে চিঠিও দেন। এই ঘটনার পরেই নড়েচড়ে বসেছিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। গত ১২-১৩ জানুয়ারি ইন্টারভিউয়ের জন্য নির্ধারিত দিন ঠিক হয়েছিল। অনিবার্য কারণ দেখিয়ে তার একদিন আগেই স্থগিত করে দেওয়া হয় এই ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া। এবার এই অভিযোগকারীদের মধ্যে একজন তফসিলি উপজাতি শ্রেণিভুক্ত পদপ্রার্থী রয়েছেন। ওই প্রার্থীই জাতীয় তফসিলি কমিশনের কাছে মেইল করে অভিযোগ জানিয়েছেন। যা নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে চর্চা।উল্লেখ্য, বিশ্বভারতীর বাংলা বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক পদের নিয়োগের জন্য আবেদন করেছিলেন কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক তুষার পটুয়া। তিনি ২০১২ সাল থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয় সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে অধ্যাপনা করছেন বলে জানা গিয়েছে। এমনকী, বিশ্বভারতীর বাংলা বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক পদের নিয়োগের ক্ষেত্রে যা যোগ্যতা প্রয়োজন, তার তা আছে বলেই জানিয়েছেন তিনি। এরপরেও অধ্যাপক পদের প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাইয়ের স্ক্রিনিংয়ে তুষারবাবুর নাম নেই। তফসিলি উপজাতি সহযোগী অধ্যাপকের ওই পদের জন্য তিন জনকে ডাকা হয়েছিল, এমনটাই জানা গিয়েছে। কিন্তু সেখানে সমস্ত যোগ্যতা মান থাকা সত্ত্বেও ইন্টারভিউ প্রক্রিয়ায় তাঁকে ডাকা হয়নি। এরপরেই তিনি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছিলেন। যদিও এবার সেই একই অভিযোগ মেইল মারফত জানালেন জাতীয় তফসিলি কমিশনের কাছে। এই বিষয়ে তুষারবাবু জানান, আমি বিশ্বভারতীর কাছে কোনও উত্তর না পেয়ে জাতীয় তফসিলি কমিশনকে অভিযোগ জানিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী দফতরেও অভিযোগ জানিয়েছিলাম। তাঁরা সেই অভিযোগ গ্রহণ করছেন এবং জানিয়েছেন সাত দিনের মধ্যে যথাযথ উত্তর দেবেন। আশা করি বিচার পাব।যদিও এই বিষয়ে বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক অতীগ ঘোষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাঁকে ফোনে পাওয়া যায়নি।