অশোক মান্না: বন্ধ ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার স্বামী-স্ত্রী নিথর দেহ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য। ঘটনাটি মহেশতলা পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কুড়ি ফুট এলাকার।
স্বামী ও স্ত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু। যেমনটা জানা যাচ্ছে, স্বামী ও স্ত্রী দুজনই ফ্ল্যাটে তিনতলায় ভাড়া থাকতেন। রবিবার সকালে পরিবারের লোকজন ফোন করে পাচ্ছিল না। তখন পরিবারের লোকজন ফ্ল্যাটে আসে। এসে দেখে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ। ডাকাডাকি করলেও তখন কোনও সাড়া শব্দ না পাওয়া গেলে মহেশতলা জিঞ্জিরা বাজার তদন্ত কেন্দ্রে পুলিসকে খবর দেওয়া হয়।
পুলিস এসে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকলে দেখা যায় স্বামী ও স্ত্রী দুজনেই খাটের মধ্যে পড়ে রয়েছেন। এবং পাশে ঘুমের ওষুধের খালি বাক্স পড়ে রয়েছে। পুলিস ওই দুজন স্বামী ও স্ত্রীকে উদ্ধার করে বেহালা বিদ্যাসাগর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করে। স্ত্রীর নাম রুমা রক্ষিত (৪৭) স্বামীর নাম তন্ময় দে (৫২)। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে আর্থিক অনটনের মধ্যে ভুগছিলেন দম্পতি।
প্রাথমিক অনুমান, আর্থিক অনটনের জেরে দম্পতি আত্মঘাতী হয়। ইতোমধ্যে, দেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, নারকেলডাঙা থানার অন্তর্গত শিবতলা লেনে এক তরুণীর রহস্যমৃত্যু। মৃত তরুণীর নাম পুষ্পা কুমারী, বয়স মাত্র ২২। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতার গলায় আঘাতের স্পষ্ট চিহ্ন পাওয়া যায়। পুলিস সূত্রে জানা যায়, সন্দেহের তীর পরিবারের সদস্যদের দিকেই। ঘটনা ঘটে ১৪ জানুয়ারি, দুপুরে। প্রতিবেশীরা পুষ্পাকে ঘরের ভিতরে অচৈতন্য অবস্থায় দেখতে পান। ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে তারা খবর দেন তার বাবাকে, রাজ নারায়ণ শাক। বাবা মেয়েকে উদ্ধার করে এনআরএস হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিসের তদন্তে সামনে আসে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, পুষ্পার সঙ্গে তাঁর ভাইয়ের এক বন্ধুর সম্পর্ক ছিল। ভাই এই সম্পর্ক মেনে নিতে পারছিল না এবং দিদিকে সম্পর্ক থেকে বের হওয়ার জন্য চাপ দিত। বন্ধুর সঙ্গেও বিরোধের ঘটনা ঘটে। খুনের আগে ওই ভাইকেই বাড়িতে ঢুকতে দেখা গিয়েছে। যদিও সে এখনও পলাতক।
আপনি কি অবসাদগ্রস্ত? বিষণ্ণ? চরম কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না। আপনার হাত ধরতে তৈরি অনেকেই। কথা বলুন প্লিজ...
iCALL (সোম-শনি, ১০টা থেকে ৮টা) ৯১৫২৯৮৭৮২১
কলকাতা পুলিস হেল্পলাইন (সকাল ১০টা-রাত ১০টা, ৩৬৫ দিন) ৯০৮৮০৩০৩০৩, ০৩৩-৪০৪৪৭৪৩৭
২৪x৭ টোল-ফ্রি মানসিক স্বাস্থ্য পুনর্বাসন হেল্পলাইন-- কিরণ (১৮০০-৫৯৯-০০১৯)