নাবালিকার বাবা পুলিশ অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগকারীর বয়ান অনুযায়ী, তাঁর মেয়ে এক বন্ধুর সঙ্গে বিকেলে বেড়াতে গিয়েছিল। তারপর আর বাড়ি ফেরেনি। এরপরেই অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন নাবালিকার বাবা। সেই অনুযায়ী তদন্ত শুরু করে পুরুলিয়া সদর থানার পুলিশ। দু-ঘণ্টা বাদে ওই নাবালিকাকে এক নির্জন স্থান থেকে উদ্ধার করা হয়। এরপর পুলিশকে সে গণধর্ষণের কথা জানায়।
ম্যাজিস্ট্রেটের কাছেও জবানবন্দিতে গণধর্ষণের কথা বলে ওই নাবালিকা ছাত্রী। অপহরণের পাশাপাশি গণধর্ষণ এবং পকসো ধারা যুক্ত করে পুলিশ। ধৃত সাত জনের মধ্যে ছয়জনের বাড়ি পুরুলিয়ার কেতিকা এলাকায়। সাত জনের মধ্যে একজন অসুস্থ থাকায় তাকে আদালতে হাজির করানো হয়নি। পুরুলিয়া জেলার পুলিশ সুপার বৈভব তিওয়ারি জানিয়েছেন, ‘‘অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে পুলিশ। কিছু ক্ষণের মধ্যেই নির্যাতিতাকে উদ্ধার করা হয়। নির্যাতিতার বয়ানের ভিত্তিতে অপহরণের পাশাপাশি গণধর্ষণ ও পকসো ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আরও কেউ যুক্ত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’