লখনউ: রবিরার প্রয়াগরাজের মাঘমেলায় ধু্ন্ধুমার পরিস্থিতি। মৌনি অমাবস্যায় পুণ্য স্নান করতে গিয়েছিলেন শংকরাচার্য স্বামী অভিমুক্তেশ্বরানন্দ। শংকরাচার্যের পালকি আটকে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর শিষ্যদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল। এখানেই শেষ নয়। সাধু-সন্তদের চুলের মুঠি ধরে, মাটিতে ফেলে মারধর করল হিন্দুত্বের ‘পোস্টারবয়’ যোগী আদিত্যনাথের পুলিশ। জোর করে সঙ্গম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় পালকি। ইতিমধ্যেই সেই সংক্রান্ত একাধিক ছবি ও ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, পালকি টেনে নিয়ে যাচ্ছে পুলিস ও স্থানীয় কিছু মানুষজন। এদের মধ্যে এক ব্যক্তির কোমরে আবার পিস্তল গোঁজা রয়েছে। একটু দূরে এক সাধুকে চুলের মুঠি ধরে মাটিতে টানতে টানতে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। তাঁর কাপড় প্রায় খুলে গিয়েছে। সমানে চড়-থাপ্পড় মারা হচ্ছে। অযোধ্যার রামমন্দির থেকে পহেলগাঁও হামলা। নানা ইস্যুতে বারবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কটাক্ষ করেছেন অভিমুক্তেশ্বরানন্দ। দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির চক্ষুশূল তিনি। সেই আক্রোশ থেকেই এই ঘটনা বলে দাবি বিরোধী শিবিরের। কড়া নিন্দা করেছে কংগ্রেস। তাদের বক্তব্য, শংকরাচার্যকে অপমান করার জন্য ক্ষমা চাওয়া উচিত উত্তরপ্রদেশ সরকারের।এদিন হঠাৎই শংকরাচার্যের পালকি আটকে দিয়ে তাঁকে হেঁটে সঙ্গমে যেতে বলা হয়। এরপরই শংকরাচার্যের শিষ্যদের সঙ্গে পুলিশের বচসা বাধে। এর জেরে বেশ কয়েকজন সাধুকে আটক করে পুলিশ। অনেককে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। এনিয়ে প্রয়াগরাজের জেলাশাসক মণীষ কুমার ভার্মার সাফাই, বিনা অনুমতিতে পালকি নিয়ে এসেছিলেন শংকরাচার্য। প্রচুর ভিড় ছিল। তাঁর সমর্থকরা ব্যারিকেড ভাঙেন। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করেন। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।