শুনানি বিলম্বিত করতে চাইছে কেন্দ্র, ওয়াংচুকের বিরুদ্ধে মামলার কোনও সারবত্তা নেই, দাবি স্ত্রী গীতাঞ্জলির
বর্তমান | ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
নয়াদিল্লি: ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিরোধীদের ‘বেআইনিভাবে’ আটক করা হচ্ছে। এটাই দেশের গণতন্ত্রের বর্তমান অবস্থা। পরিবেশকর্মী সোনাম ওয়াংচুকের গ্রেপ্তারি তারই প্রমাণ। সম্প্রতি এমনই দাবি করেছেন সোনামের স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো। তিনি জানান, মামলার যে সারবত্তা নেই তা ইতিমধ্যে বুঝে গিয়েছে কেন্দ্র। তাই সলিসিটর জেনারেল মামলা শুনানির জন্য বারবার তারিখ চাইছেন। এভাবে মামলার শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। গীতাঞ্জলির কথায়, ‘এটা শুধু ব্যক্তি সোনাম ওয়াংচুকের কথা নয়। সোনামের সঙ্গে এমনটা হলে সবার সঙ্গেই তা ঘটতে পারে।’গত সেপ্টেম্বরে লাদাখে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে সোনামকে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার করা হয়। রাখা হয়েছে রাজস্থানের কারাগারে। সম্প্রতি এবিষয়ে সাক্ষাৎকার দেন গীতাঞ্জলি। তাঁর কথায়, ‘এনএসএ’র নিয়ম অনুযায়ী, গ্রেপ্তার করার পাঁচ থেকে দশদিনের মধ্যে অভিযুক্ত পক্ষের হাতে যাবতীয় নথি দিতে হয়। এর মধ্যে আটক করার কারণও দেখাতে হয়। তবে সোনামকে ২৮ দিনের মাথায় চারটি ভিডিয়ো দেখানো হয়। এটা খুব বড়ো পদ্ধতিগত ত্রুটি। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আইনের ৮ নম্বর ধারা লঙ্ঘন করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিত্ব করছেন সলিসিটর জেনারেল। তিনি বারাবার তারিখ পিছিয়ে যাচ্ছেন। মামলা বিলম্বিত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। আমার মনে হয়, মামলায় যে সারবত্তা নেই, সেটা ওরা বুঝে গিয়েছে।’