• পূর্ব পুঁটিয়ারি বাজারের জমিতে শপিং মল, বিল্ডিংয়েই পুনর্বাসন পুর বাজারের ব্যবসায়ীদের
    বর্তমান | ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পিপিপি (পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ) মডেলে আরও একটি পুর-মার্কেট কাম শপিং মল তৈরির পরিকল্পনা করেছে কলকাতা পুরসভা। প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডে যোধপুর পার্কের সাউথ সিটি কিংবা বেকবাগানের কোয়েস্ট মল ছাড়া শহরের দক্ষিণ তল্লাটে (টালিগঞ্জ, যাদবপুর, বেহালা) সেই অর্থে কোনও বড় শপিং মল নেই। সেই ভাবনা থেকেই কুঁদঘাটের পূর্ব পুঁটিয়ারি বাজারের জমিতে একটি সাততলা শপিং মল তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেখানে পুঁটিয়ারি বাজারের দোকানদারদের পুনর্বাসন দেওয়ার পাশাপাশি তৈরি হবে কমিউনিটি হল, সিনেমা হল, ফুড কোর্ট, গেমিং জোন সহ যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা যুক্ত শপিং ডেস্টিনেশন।  ইতিমধ্যেই টেন্ডার ডাকা হয়েছে।কুঁদঘাট পূর্ব পুঁটিয়ারি বাজারটি কলকাতা পুরসভার অন্তর্গত। প্রায় ৬০ হাজার বর্গফুট এলাকার মধ্যে ৩১ হাজার বর্গফুট এলাকা নিয়ে ৪০০টি দোকান রয়েছে। বাকি জায়গা খালি রয়েছে। ঠিক হয়েছে, সেই ফাঁকা জায়গাতে আপাতত দোকানদারদের অস্থায়ী জায়গা বানিয়ে দেওয়া হবে। তারপর পুরোনো বাজার ভেঙে তৈরি হবে মল। পরিকল্পনা রয়েছে, কুঁদঘাট বাজারের সামনে বর্তমানে ১৫-১৬ ফুট চওড়া যে রাস্তাটি রয়েছে, তা ৪০ ফুট চওড়া করা হবে। কারণ, নতুন শপিংমল হয়ে গেলে স্বাভাবিকভাবেই গাড়ির সংখ্যা বাড়বে এই অঞ্চলে। সেই সঙ্গে শপিং মলের বেসমেন্টে ৩০০টি গাড়ি পার্কিং করার মতো জায়গা থাকবে।পিপিপি মডেলে যে শপিং মল তৈরি হবে, তাতে প্রথম দু’টি তল বরাদ্দ হবে বর্তমান বাজারের ৪০০ ব্যবসায়ীর জন্য। সেখানেই মাছ, সবজি থেকে শুরু করে মুদির দোকান ইত্যাদি থাকবে। তারপর তৈরি হবে একটি কমিউনিটি হল। যেখানে প্রায় এক হাজার জনের বসার সুযোগ থাকবে। তার উপরে তৈরি হবে চারটি সিনেমা হল, ফুড কোর্ট সহ শপিং মলের অন্যান্য দোকান। স্থানীয় ১১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার বিশ্বজিৎ মণ্ডল বলেন, ‘অনেকদিন ধরে এই প্রচেষ্টা চলছিল। ওখানকার সমস্ত দোকানদারও রাজি। ওঁরা সম্মতিপত্রে স্বাক্ষরও করেছেন। প্রত্যেক দোকানদার পুনর্বাসন পাবেন। যত তাড়াতাড়ি এই প্রকল্প দিনের আলো দেখে, সেটাই ভালো। অঞ্চলের ভোল পাল্টে যাবে। এলাকাবাসী উপকৃত হবেন।’ পুরসভার বাজার বিভাগের এক কর্তা বলেন, ‘টেন্ডার ডাকা হয়েছে। পুর বাজারের বর্তমান ব্যবসায়ীদের শপিং মলের নীচের দু’টি তলে  পুনর্বাসন দেওয়া হবে। সেখানে ঢোকা ও বেরোনোর রাস্তা এবং সিনেমা হল কিংবা শপিং মল অংশে প্রবেশ-প্রস্থানের পৃথক পথ থাকবে।’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘সামনেই রয়েছে মেট্রো স্টেশন। স্বাভাবিকভাবেই এখানে একটি সিনেমা হল সহ শপিং মল তৈরি হলে মানুষের আনাগোনা আরও বাড়বে। গাড়ির যাতায়াত বাড়বে। তাই রাস্তা চওড়া করা হচ্ছে।’
  • Link to this news (বর্তমান)