প্রদ্যুৎ দাস: ভিন রাজ্যে কাজে স্বামী। স্বামীর অনুপস্থিতিতেই 'দেওরে'র সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন স্ত্রী। প্রায় দেড় বছরের সেই সম্পর্কে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন ২ সন্তানের মা। আর একথা জানতে পেরেই 'প্রেমিক' দেওরের হাতেই স্ত্রীকে তুলে দিলেন স্বামী। ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ি জেলার ধুপগুড়িতে।
ধুপগুড়ি ৯ নাম্বার ওয়ার্ডের পর দুই নাম্বার ওয়ার্ডের ঘটনা। স্ত্রী সোমা রায়ের সঙ্গে স্বামী শ্রীকান্ত রায়ের প্রায় দীর্ঘ ১৫ বছরের সংসার। কিন্তু ১৫ বছর সংসার করার পরেও স্বামী শ্রীকান্ত রায়, তাঁর স্ত্রী সোমা রায়কে প্রেমিক চিরঞ্জিত রায়ের হাতে তুলে দিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তারা সম্পর্কে দুজনে বৌদি ও দেওর। কাজের সুবাদে কেরালায় দীর্ঘ প্রায় তিন বছর ছিলেন শ্রীকান্ত রায়। সেখান থেকেই প্রতিনিয়ত টাকা পাঠাতেন স্ত্রীকে। আর সেই টাকা সোমা রায় তাঁর প্রেমিক চিরঞ্জিত রায়ের হাতে তুলে দিতেন। স্বামীকে ঠিকঠাক টাকার হিসাবও দিতে পারতেন না তিনি। এমনটাই অভিযোগ।
এর মধ্যে স্বামী শ্রীকান্ত রায় বাড়িতে ফিরে তার স্ত্রীর পরকীয়ার ঘটনা টের পান। দেখেন তাঁর স্ত্রী, দুই ছেলের মা সোমা ফের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন। তিনি কর্মসূত্রে বাইরে থাকা সত্ত্বেও, কীভাবে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লেন স্ত্রী সোমা? প্রশ্ন করতেই সত্যি কথা স্বীকার করে নেন স্ত্রী সোমা। স্পষ্ট জানান, দেওর চিরঞ্জিত রায় সঙ্গে তাঁর মেলামেশার কথা।
এরপরই রবিবার রাতে পাড়া-প্রতিবেশীরদের একাংশের উপস্থিতিতে নিজে হাতেই স্ত্রী সোমা রায়কে প্রেমিক চিরঞ্জিত রায়ের হাতে তুলে দিলেন স্বামী শ্রীকান্ত রায়। মালাবদল করে বিয়ে দিলেন। করান মিষ্টিমুখও। বলাই বাহুল্য যে, এই ঘটনায় ব্যাপক হইচই পড়ে গিয়েছে ধূপগুড়ি সহ গোটা জলপাইগুড়িতে।