• জানুয়ারিতেই ক্রমশ দিনের তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে বাড়ছে অস্বস্তি
    এই সময় | ২০ জানুয়ারি ২০২৬
  • এই সময়: পশ্চিমী ঝঞ্ঝায় ‘উত্তুরে’ হাওয়ার গতিরোধ হতেই বদলাতে শুরু করেছে বাংলার, বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা। রবিবার শেষ রাতেও শহরের তাপমাত্রা (১৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস) ছিল ১৩ ডিগ্রির ঘরে। কিন্তু রোদের তেজ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই ছবিটা দ্রুত বদলে গেল। কিছুক্ষণের মধ্যেই তাপমাত্রা যে জায়গায় পৌঁছল, তাতে গায়ে আর গরম জামা রাখার প্রয়োজনই হলো না।

    ২০ ডিসেম্বরের থেকে ১৯ জানুয়ারি — পাক্কা একমাস কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ‘স্বাভাবিক’ হলো। মাঝের এই ৩০টা দিন কলকাতার দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে নীচেই ছিল। কয়েক দিন আগে থেকেই মৌসম ভবন জানিয়ে আসছিল, উত্তর–পশ্চিম ভারতে পর পর ঝঞ্ঝা তৈরির ফলে লাগাম পড়তে চলেছে ‘উত্তুরে’ হাওয়ার প্রবাহে।

    পূর্বাভাস ছিল এই সপ্তাহের শুরু থেকেই কলকাতা–সহ দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ায় বদল আসতে চলেছে। বাস্তবে সেই পূর্বাভাস মিলতে শুরু করল সোমবার থেকেই। শহরের রাতের তাপমাত্রা এখনও শীত করার মতো জায়গাতেই রয়েছে। আলিপুর হাওয়া অফিসের রিপোর্ট অনুযায়ী রবিবার রাতে কল্যাণী (৯.৬) ছাড়া রাজ্যের কোনও জায়গাতেই সমতলের তাপমাত্রা সিঙ্গল ডিজিটে ছিল না। দার্জিলিং (৪) স্বাভাবিক ভাবেই রাজ্যের মধ্যে শীতলতম ছিল।

    অন্য দিকে রাতের পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন, সোমবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই যে ভাবে গোটা রাজ্যে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে, তাতে কয়েক দিন পরে পরিস্থিতি কোন জায়গায় পৌঁছবে তা ভাবতে এখন থেকেই ভয় করছে। আবহবিদরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন গত ফেব্রুয়ারির কথা। ২০২৫–এর প্রথম তাপপ্রবাহ শুরু হয়েছিল ফেব্রুয়ারিতেই। এ বারও কি তেমনটাই হবে? সোমবার ডায়মন্ড হারবার ও জলপাইগুড়ি (২৯.১), উলুবেড়িয়া (২৮.৬), মেদিনীপুর (২৮.৩), হলদিয়া (২৮.২) এবং সল্টলেক, বর্ধমান, সিউড়ি ও কোচবিহারের (২৮) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা যেন সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে।

  • Link to this news (এই সময়)