• প্রয়াগরাজে পুণ্যস্নানে ‘হেনস্তা’ কাণ্ডে আখড়ার সামনেই ধরনা শংকরাচার্যের
    বর্তমান | ২০ জানুয়ারি ২০২৬
  • প্রয়াগরাজ: মাঘমেলা উপলক্ষ্যে মৌনী অমাবস্যায় পুণ্যস্নান ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি প্রয়াগরাজে। জ্যোতিষপীঠের শংকরাচার্য স্বামী অভিমুক্তেশ্বরানন্দ সরস্বতীকে হেনস্তার অভিযোগ। তাঁর পালকি আটকানোর পাশাপাশি শিষ্যদেরও মাটিতে ফেলে পেটানো হয় বলে অভিযোগ। যোগীরাজ্যের পুলিশের এই ভূমিকায় নানা মহলে নিন্দার ঝড় উঠেছে। রবিবারের এই ঘটনার জের গড়ালো পরদিনও। ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার নিজের আখড়ার সামনেই ধরনায় বসেছেন অভিমুক্তেশ্বরানন্দ। অন্ন ও জল স্পর্শ করছেন না তিনি। তাঁর দাবি, পুলিশ ও মেলা প্রশাসনকে ক্ষমা চাইতে হবে। যদিও মেলা আধিকারিক ঋষিরাজ শংকরাচার্যর শিষ্যদের দিকে আঙুল তুলেছেন। তাঁর দাবি, সন্তের অনুগামীরা জরুরি পরিষেবার জন্য সংরক্ষিত ব্রিজের ব্যারিকেড ভেঙে সঙ্গমে পৌঁছন। মূল স্নানের দিন পদপিষ্টের মতো পরিস্থিতি যাতে না হয়, তা নিশ্চিত করতেই প্রশাসন হস্তক্ষেপ করে। ওই ঘটনার সমস্ত প্রমাণ প্রশাসনের কাছে রয়েছে। যদিও এতে বিতর্ক থামছে না। কংগ্রেস এই ঘটনায় গেরুয়া দলকে একহাত নিয়েছে। তাদের কটাক্ষ, বিজেপি ‘কোনও কাজেরও নয়, রামেরও নয়’।শংকরাচার্য স্বামী অভিমুক্তেশ্বরানন্দ ও তাঁর শিষ্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের ঘটনাকে লজ্জাজনক আখ্যা দিয়েছে হাতশিবির। তারা এব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপও দাবি করেছে। দলের নেতা পবন খেরা বলেছেন, বিজেপি শুধু ক্ষমতা আর টাকার পিছনে ছুটছে। এর বাইরে ধর্ম বা আস্থা নিয়ে কোনও পরোয়া নেই তাদের।রবিবারের ঘটনা সম্পর্কে প্রশাসনের দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন স্বামী অভিমুক্তেশ্বরানন্দ। তাঁর প্রতিনিধি শৈলেন্দ্র যোগীরাজ এক বিবৃতিতে বলেছেন, পুলিশের মারধরে তাঁদের ১৫ জন অনুগামী জখম হয়েছেন। তাঁদের চিকিৎসা চলছে। স্বামী অভিমুক্তেশ্বরানন্দ শীঘ্রই পুলিশ কর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করবেন। মেলা প্রশাসনকে ক্ষমা চাইতে হবে। সেইসঙ্গে নিয়ম অনুসারে পুণ্যস্নানের ব্যবস্থা করতে হবে। তা না হলে আখড়ায় ঢুকবেন না স্বামী অভিমুক্তেশ্বরানন্দ। ছবি: পিটিআই
  • Link to this news (বর্তমান)