• ইটাহারে তিনটি বাড়িতে চুরি, খোয়া গিয়েছে লক্ষাধিক টাকা সহ গয়না
    বর্তমান | ২০ জানুয়ারি ২০২৬
  • সংবাদদাতা, ইটাহার: বাড়ির সকলে গিয়েছিলেন আত্মীয়ের বাড়িতে। সেই সুযোগে একই রাতে চার ভাইয়ের তিনটি বাড়িতে চুরি। প্রত্যেকটি বাড়ির আলমারি, লকার ভেঙে লুটপাট চালায় দুষ্কৃতীরা। সোমবার সকালে স্কুলমাঠে বেশ কয়েকটি তালা পড়ে থাকতে দেখার পর চুরির ঘটনা সামনে আসে। খোয়া গিয়েছে লক্ষাধিক টাকা সহ সোনা ও রুপোর গয়না বলে অভিযোগ। রাত বাড়লে এলাকায় বহিরাগতদের আনোগোনার অভিযোগ স্থানীয়দের। ঘটনার তদন্তে নেমেছে ইটাহার থানার পুলিশ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সাদ্দাম হোসেন, মঞ্জুর আলম, তফাজ্জল হোসেন এবং বাবলু হোসেন পরিযায়ী শ্রমিক। তাঁরা ভিনরাজ্যে থাকেন। তাঁদের ইটাহারের ঘেরা মোড়ে তিনটি বাড়ি রয়েছে। সকলেই পরিবার নিয়ে ভিনরাজ্যে থাকলেও মা তুলিমন বেওয়া ও এক ভাইয়ের স্ত্রী লতিফা খাতুন একটি বাড়িতে থাকেন। অন্য দু’টি বাড়ি ফাঁকাই থাকে। রবিবার রাতে এক আত্মীয়ের বাড়িতে যান ছোট ভাইয়ের বউ ও মা। ফলে তিনটি বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগে চুরির ঘটনা ঘটে। প্রথমে মূল গেটের তালা ভাঙে দুষ্কৃতীরা। এরপর তিনটি বাড়ির ১০টি ঘরের তালা ভেঙে আলমারি, লকার ভেঙে সর্বস্ব চুরি করে নিয়ে যায়। তুলিমন বেওয়া জানান, ছেলেরা ভিনরাজ্যে কাজ করে যা সঞ্চয় করেছিল সব চোরেরা নিয়ে গিয়েছে। সোমবার সকালে এলাকার কয়েক জন খুদে পাশের স্কুলের মাঠে খেলাধুলো করার সময় বেশ কয়েকটি তালা পড়ে থাকতে দেখে। তারপর চুরির ঘটনা জানাজানি হয়। চুরির খবর পেয়ে ইটাহার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে তদন্তে পৌঁছয়। পরিবারের সদস্য লতিফা জানান, চাষবাসের জন্য ব্যাঙ্ক থেকে লোনের এক লক্ষ নগদ টাকা সহ সোনা ও রুপোর গয়না চুরি হয়েছে। আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি।এদিকে বাসিন্দারা রাত হলেই এলাকায় বহিরাগত দুষ্কৃতীদের আনাগোনার অভিযোগ তুলছেন। কিন্তু ভয়ে গ্রামের কেউ প্রতিবাদ করতে পারেন না। এবিষয়ে এলাকার বাসিন্দা বাবুল হোসেন বলেন, পুলিশ প্রশাসনের উচিত এলাকায় রাত্রিকালীন টহল সহ নিরাপত্তা জোরদার করা। ইটাহার থানার পুলিশ জানিয়েছে, চুরির ঘটনার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। 
  • Link to this news (বর্তমান)