• তামিলনাড়ুতে ফের রাজ্য-রাজভবন সংঘাত, জাতীয় সংগীতের অপমান ইস্যুতে অধিবেশন কক্ষ ছাড়লেন রাজ্যপাল
    বর্তমান | ২০ জানুয়ারি ২০২৬
  • চেন্নাই, ২০ জানুয়ারি: ফের তামিলভূমে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত। আজ, মঙ্গলবার তামিলনাড়ু বিধানসভার অধিবেশন শুরুর কথা ছিল। যার সূচনার আগে রীতি মেনে রাজ্যপালের ভাষণ দেওয়ার কথা। সেইমতো বিধানসভাতে পৌঁছে যান তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল আর এন রবি। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই ফের বিধানসভার অধিবেশন কক্ষ ছেড়ে রাজভবন(লোকভবন) ফিরে যান তিনি। যার ফলে অধিবেশন আর শুরু করা যায়নি আজ। তারপরেই শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। কেন রাজ্যপাল এই আচরণ করলেন? তামিলনাড়ুর রাজভবনের(লোকভবন) তরফে ১৩টি বিষয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। যার প্রথমটি হল, তামিলনাড়ু সরকারের জাতীয় সংগীতকে অপমান। এছাড়াও রাজ্যপাল আর এন রবির অভিযোগ, তাঁকে যে ভাষণপত্র দেওয়া হয়েছে সেটতে ‘ভুল’ রয়েছে, তথ্যে বিস্তর গরমিল আছে।এই বিষয়ে রাজ্যপাল আর এন রবির অফিস থেকে জানানো হয়েছে, ‘ডিএমকে সরকারের দেওয়া ভাষণপত্রে বিস্তর গরমিল রয়েছে। কিছু অসত্য কথা বলা আছে। রাজ্যের মানুষ বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন, সেই বিষয়গুলি এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। ফের একবার জাতীয় সংগীতকে অপমান করা হয়েছে।’ সূত্রের খবর, এদিন তামিলনাড়ু বিধানসভার অধিবেশন শুরুর পূর্বে রাজ্যগীত বাজানো হয়। যদিও রাজ্যপালের আর্জি ছিল, জাতীয় সংগীত কেন প্রথমে বাজানো হয়নি। এছাড়াও আর এন রবির অফিস থেকে বলা হয়েছে, ডিএমকে সরকার মিথ্যে তথ্য দিয়ে ভাষণপত্র তৈরি করেছিল। রাজ্যে মহিলা ও নাবালিকাদের উপর নির্যাতনের প্রসঙ্গ, বিনিয়োগ নিয়ে মিথ্যে তথ্য পরিবেশন করা হয়েছিল। অভিযোগ, রাজ্যপাল যখন বক্তব্য রাখছিলেন, তখন তাঁর মাইক বারবার বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছিল। এইসমস্ত কারণেই বিধানসভার অধিবেশন কক্ষ ছেড়ে চলে যান রাজ্যপাল আর এন রবি। যাকে কেন্দ্র করে ফের দক্ষিণের এই রাজ্যে সংঘাতে জড়াল ডিএমকে সরকার ও রাজ্যপাল। এর আগে একাধিক বিল সই না করার অভিযোগ ছিল রাজ্যপাল আর এন রবির বিরুদ্ধে। বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। সেখানেই স্বস্তি পায় ডিএমকে সরকার।এদিনের ঘটনার ফলে ফের একবার তামিলভূমে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়াল। গোটা বিষয়টি নিয়ে ডিএমকে’র বক্তব্য, ‘রাজ্যপালের আচরণ অপমানজনক, ১০০ বছরের পুরনো রীতিকে ভেঙেছেন তিনি।’  
  • Link to this news (বর্তমান)