প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি দৈনিক স্টেটসম্যানকে জানান, এসআইআর-এর নামে সাধারণ ভোটারদের বারবার শুনানির জন্য ডেকে অযথা হয়রানি করা হচ্ছে। গোটা প্রক্রিয়াটি পক্ষপাতদুষ্ট এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত নয় বলেও দাবি করেন তিনি।
এরপর বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশ বাধা দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রদেশ সভাপতির নির্দেশে আন্দোলনকারীরা সিইও দপ্তরের সামনে বসে পড়েন এবং দফায় দফায় অবস্থান-বিক্ষোভ চালান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে।
শুভঙ্কর সরকার-সহ শতাধিক কংগ্রেস নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। এই পুলিশি পদক্ষেপের প্রতিবাদে কংগ্রেস নেতৃত্বের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমন করতেই এই গ্রেপ্তার।
এদিন কংগ্রেসের তরফে নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি জমা দেওয়া হয়। চিঠিতে অবিলম্বে এসআইআর-এর নামে চলা ‘শুনানি-হয়রানি’ বন্ধ করা, প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনা এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ভোটার তালিকা সংশোধনের দাবি জানানো হয়েছে। কংগ্রেস নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়েছে, সাধারণ ভোটারের অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনে আন্দোলন আরও তীব্র হবে।