• BIG BREAKING! ১৪ ফেব্রুয়ারি চুড়ান্ত তালিকা বেরোবে তো? SIR নিয়ে বড় অনিশ্চয়তা...
    ২৪ ঘন্টা | ২১ জানুয়ারি ২০২৬
  • জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: আশঙ্কা ছিলই। নির্বাচন কমিশনে 'সুপ্রিম' ধাক্কা। ১৪ ফেব্রুয়ারি কি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ? তৈরি হল অনিশ্চয়তা। পিছিয়ে যেতে পারে শুনানির শেষদিনও। কমিশন সূত্রে খবর তেমনই।

    নজরে ছাব্বিশ। বাংলায় SIR। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর, এখন চলছে শুনানি। কতদিন? কমিশনের তরফে জানানো হয়েছিল, ৭ ফেব্রুয়ারি শুনানির শেষদিন। এরপর ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। দুটি তারিখই পিছিয়ে যেতে পারে! কমিশন সূত্রে খবর, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানতে ৭ ফেব্রুয়ারি মধ্যে শুনানি শেষ করা সম্ভব নয়। এখন নির্ধারিত দিনে যদি শুনানিই শেষ না হয়, সেক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতেও সময় লাগবে।

    ঘটনাটি ঠিক কী? বাংলায় SIR নিয়ে মামলা গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। শীর্ষ আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, হিয়ারিংয়ে থাকতে দিতে হবে BLA-দের! শুধু তাই নয়, কেন নাম বাদ, কারণ দেখিয়ে ব্লকে-ব্লকে টাঙাতে হবে সেই ১.৩২ কোটির লিস্টও! এর অর্থ, লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির তালিকা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস ও বিডিও অফিসে ঝোলাতে হবে। বস্তুত, লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির জন্য যাদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের প্রয়োজনী নথি বা ফর্ম ৭ ফিলাপ করার দন্য় তালিকা প্রকাশের পর আরও ১০ দিন সময় দিতে হবে।  ফর্ম ৭ জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ১৯ জানুয়ারি। ফলে সেই সময়সীমা আরও বাড়বে। সেকারণেই শুনানি ও চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের তারিখ পিছিয়ে যেতে পারে বলে খবর।

    সুপ্রিম কোর্টে পশ্চিমবঙ্গে SIR সংক্রান্ত মামলায় নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি ও পদ্ধতি নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। আবেদনকারীদের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী কপিল সিব্বাল জানান, শুনানির জন্য অনুমোদিত ভেন্যুর সংখ্যা মাত্র ৩০০। অথচ প্রয়োজন অন্তত ১৯০০টি। তাঁর অভিযোগ, এই মুহূর্তে কোনও বুথ লেভেল অফিসার (BLO) নিয়োগই করা হয়নি।

     লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সি

    সুপ্রিম কোর্টে আবেদবকারীর আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেন, লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করুক নির্বাচন কমিশন। বিহারে লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সি বলে কিছু ছিল না। কপিল সিব্বল জানান, নামের বানানে ভুল থাকলেই লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির নোটিস পাঠানো হচ্ছে। কমিশন পালটা দাবি, নামের বানানে ভুল থাকলে কাউকেই নোটিস পাঠানো হচ্ছে না। শুধুমাত্র বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানের বয়সের ফারাক ১৪/১৬ বছরের কম হলেই যাচাইয়ের জন্য নোটিস পাঠানো হচ্ছে। সব শুনে কোর্ট বলে, ভারতের মতো দেশে কীভাবে এই যুক্তি দিচ্ছেন? মনে রাখতে হবে, এখানে বাল্যবিবাহ ছিল। কিছু জায়গায় এখনও আছে।

    সিব্বল দাবি করেন, লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির পাশাপাশি হিয়ারিংয়ের শিডিউল দেওয়া হোক। তাঁর বক্তব্য, বাবা-ঠাকুরদা ও সন্তানের বয়সের ব্যবধানকে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ হিসেবে দেখিয়ে ভোটারদের নাম নিয়ে আপত্তি তোলা হচ্ছে। অথচ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম দীর্ঘদিন ধরেই ভোটার তালিকায় রয়েছে। তিনি আদালতের কাছে আবেদন জানান, এ ধরনের সমস্ত তথাকথিত অসঙ্গতির পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করা হোক এবং তারপর শুনানির নির্দিষ্ট দিন ধার্য করা হোক। বানান বিভ্রাট নিয়েও আপত্তি তোলেন তিনি। সিব্বলের বক্তব্য, গাঙ্গুলি বা দত্তের মতো পদবির ভিন্ন বানান দেখিয়ে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, নোটিস জারির মূল উদ্দেশ্যই ভোটার তালিকা থেকে নাম ছাঁটাই।

  • Link to this news (২৪ ঘন্টা)