• বেহালা কলেজ: সরস্বতী পুজো নিয়ে গোষ্ঠীসংঘর্ষ, জখম ৫
    বর্তমান | ২১ জানুয়ারি ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সরস্বতী পুজোর উদ্যোক্তা কারা হবে? এই প্রশ্ন নিয়েই দুই গোষ্ঠীর বচসাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বেহালা কলেজ। দু’পক্ষের সংঘর্ষে রক্তাক্ত হল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পর্ণশ্রী থানার বিরাট পুলিশ বাহিনী। ঘটনাস্থল থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় পাঁচ পড়ুয়াকে উদ্ধার করে প্রাথমিকভাবে বিদ্যাসাগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে রাতে এসএসকেএম হাসপাতালে পাঠানো হয় আহতদের। মারধরের ঘটনায় ইতিমধ্যেই পর্ণশ্রী থানার পুলিশ দু’গোষ্ঠী মিলিয়ে সাতজনকে নোটিস পাঠিয়েছে। লালবাজার জানিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত কলেজে হাঙ্গামার ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন সন্ধ্যা থেকেই কলেজে একটি পিকনিক চলছিল। সেখানেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসার সূত্রপাত হয়। তিন দিন বাদে সরস্বতী পুজো। কিন্তু, কোন গোষ্ঠী আয়োজন করবে, তা নিয়ে বচসা শুরু। মূলত প্রতিমা কেনা ও ভোগ রান্নার খরচ কে তুলবে, এই নিয়েই ঝামেলার সূত্রপাত। দুই গোষ্ঠীই জানায়, তারা নিজেরাই করবে এবারের পুজো। এ থেকেই দু’তরফের বিবাদ চরমে ওঠে। পরে হাতাহাতিতে জড়ান দু’পক্ষের পড়ুয়ারা। ঢিল ছোড়া দূরত্বেই পর্ণশ্রী থানা। ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ আধিকারিকরা। অ্যাম্বুলেন্সে চাপিয়ে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ৫-৬ জন পড়ুয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। সেই খবর চাউর হতেই থানার বাইরে দুই গোষ্ঠীর সমর্থকরাই ভিড় জমায়। সেখানেও একপ্রস্থ সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে পরিস্থিতি সামলাতে থানায় আসেন বেহালা পূর্বের বিধায়ক তথা স্থানীয় কাউন্সিলার রত্না চট্টোপাধ্যায়। অভিযোগ, তাঁর সামনেও হাতাহাতিতে জড়ায় দু’পক্ষ। বিধায়কের তত্ত্বাবধানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পুলিশ জানিয়েছে, কেন কলেজের ভিতরে মারপিটের ঘটনা? তা জানতে আটক হওয়া যুবকদের নোটিস পাঠানো হয়েছে। তিনদিনের মধ্যে সেই থানায় এসে হাজিরা দিয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ।
  • Link to this news (বর্তমান)