• এসআইআরে ‘হয়রানি’: বাসন্তীতে শুনানিকেন্দ্রে ভাঙচুর, ঢোলাহাটে হইচই, পোলবায় ফর্ম-৭ নিয়ে বিক্ষোভ তৃণমূলের
    আনন্দবাজার | ২১ জানুয়ারি ২০২৬
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) শুনানিকে কেন্দ্র করে আবার উত্তেজনা ছড়াল রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে শুনানিকেন্দ্রে চলল ভাঙচুর। ঢোলাহাটে টায়ার জ্বালিয়ে হল বিক্ষোভ। হুগলির পোলবায় ‘ফর্ম-৭’ নিয়ে প্রতিবাদ তৃণমূলের।

    এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু থেকেই নানাবিধ প্রশ্নের মুখে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, এসআইআরের নামে হয়রানি করা হচ্ছে। শুনানির নোটিস পাঠিয়ে শুনানিকেন্দ্রে ডেকে অযথা হেনস্থার অভিযোগও তুলছেন অনেকে। মঙ্গলবার সকাল থেকে রাজ্যের বিভিন্ন দিক, বিশেষত দক্ষিণ ২৪ পরগনা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষুব্ধ জনতা।

    বাসন্তীতে বিডিও অফিসে ভাঙচুর চালানোর ঘটনা ঘটল। ওই অফিসেই রয়েছে এসআইআরের শুনানিকেন্দ্র। অভিযোগ, নোটিস পাঠিয়ে শুনানিকেন্দ্রে ডেকে হয়রানি করা হচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখা হচ্ছে। মঙ্গলবার সকালে আচমকাই একদল জনতা হামলা চালায় বাসন্তীর বিডিও অফিসে। ভিতরে ভাঙচুর চালানো হয়। বেশ কিছুক্ষণ শুনানিকেন্দ্রে তাণ্ডব চলে বলে অভিযোগ। শুধু তা-ই নয়, এসআইআরে হয়রানির অভিযোগে বাসন্তী রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন বিক্ষোভকারীরা। সকাল দশটা থেকে প্রায় ঘণ্টাখানেক অবরোধ চলে। পরে পুলিশ এসে অবরোধ সরিয়ে দেয়।

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঢোলাহাটেও একই ভাবে বিক্ষোভ চলে। সকাল ৯টা থেকে ঢোলাহাটের মাদারপাড়ায় পথ অবরোধ করে বিক্ষুব্ধ জনতা। বিক্ষোভের জেরে ঢোলাহাট–রামগঙ্গা রোড সম্পূর্ণ ভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। ব্যাহত হয় যান চলাচল। দীর্ঘক্ষণ আটকে পড়েন স্কুলপড়ুয়া, অফিসযাত্রীরা। পর পর দাঁড়িয়ে পড়ে পণ্যবাহী গাড়িও। পরে ঢোলাহাট থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি মোকাবিলা করে। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে অবরোধ তোলে পুলিশ।

    অন্য দিকে, ‘ফর্ম-৭’ নিয়ে প্রতিবাদ হুগলির পোলবার আলিনগরে। অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরা ‘ফর্ম–৭’ অগণতান্ত্রিক ভাবে জমা দিয়ে এসআইআরের তালিকা থেকে সাধারণ ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার পোলবার বিভিন্ন দিকে উত্তেজনা ছড়াল। আলিনগর, ভোয়াগাছিতে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।

    উত্তর ২৪ পরগনার ন্যাজাট থানার অন্তর্গত সন্দেশখালি ১ নম্বর বিডিও অফিসে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল। দাবি একই। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
  • Link to this news (আনন্দবাজার)