নয়াদিল্লি: ‘সুখনা হ্রদ ক্রমেই শুকিয়ে যাচ্ছে। এমন আর কতদিন চলবে?’ বুধবার আরাবল্লি পর্বতমালা সংক্রান্ত মামলায় চণ্ডীগড়ের বিখ্যাত হ্রদ নিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন দেশের প্রধান বিচারপতি। আদালতের পর্যবেক্ষণ, বিল্ডার মাফিয়া ও আমলাদের যোগসাজশের কারণেই ধ্বংস হচ্ছে হ্রদটি। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চালির বেঞ্চ। মূলত বৃষ্টির জলে পুষ্ট সুখনা হ্রদ চণ্ডীগড়ের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র। প্রতিদিন বহু মানুষ এই হ্রদে বেড়াতে আসেন। তবে অবৈধ নির্মাণের বাড়বাড়ন্তে শুকিয়ে যাচ্ছে হ্রদটি। ধ্বংসের মুখে সুখনার বাস্তুতন্ত্র। এদিন প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘বিল্ডার মাফিয়া ও আমলাদের যোগসাজশেই সুখনার ধারে অবৈধ নির্মাণ হচ্ছে। তাতে মদত রয়েছে পাঞ্জাবের রাজনৈতিক দলগুলিরও। এভাবেই হ্রদটিতে ধ্বংস করে ফেলা হচ্ছে।’ হরিয়ানা সরকারকে বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। বেঞ্চ বলেছে, অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হবে।অন্যদিকে আরাবল্লি সংক্রান্ত বিষয়ে আদালত-বান্ধব কে পরমেশ্বরকে চার সপ্তাহের মধ্যে বিস্তারিত নোট পেশের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সেখানে সব পক্ষের মতামত ও পরামর্শ রাখার কথা বলা হয়েছে।আরাবল্লির সংজ্ঞা নির্ধারণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের পূর্ববর্তী রায় নিয়ে ক্ষোভ ছড়িয়েছিল পরিবেশপ্রেমীদের মধ্যে। এদিন আদালত জানিয়েছে, নতুন রায়ে ‘আরাবল্লি’ ও ‘বনাঞ্চলের’ আলাদা সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হবে। রাজস্থান সরকারকেও অবৈধ খনন রোখার নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।