• শহর ও সংলগ্ন এলাকায় রাস্তার কাজে উড়ছে ধুলো, বাড়ছে শ্বাসকষ্টের সমস্যা
    বর্তমান | ২২ জানুয়ারি ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: শহর ও সংলগ্ন এলাকায় লাগাতার রাস্তা সম্প্রসারণ থেকে শুরু করে গ্যাস, বিদ্যুৎ সহ একাধিক কাজ চলছে। রাস্তার এই কাজের কারণে শুখা মরশুমে রাস্তাঘাটে উড়ছে ধুলো, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে হাসপাতালের আউটডোরগুলিতে বাড়ছে শিশু ও বয়স্কদের ভিড়। শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে অনেকেই হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকদের দ্বারস্থ হচ্ছেন। মধ্য জানুয়ারিতেই শীত প্রায় উধাও হয়ে গিয়েছে। দিনে এই সময় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা থাকছে। সন্ধ্যার পরে শীতল হাওয়া বইছে। রাত হতেই তাপমাত্রা নিম্নমুখী হচ্ছে। ফলে তাপমাত্রার তারতম্যে ঠান্ডা ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগ বাড়ছে। জ্বর, সর্দিকাশি থেকে শ্বাসকষ্ট এসময় এমনিতেই বেড়ে যায়। তার উপর বাড়তি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে এই রাস্তার কাজ। একদিকে এশিয়ান হাইওয়ের কাজ জোরকদমে চলছে। অন্যদিকে এলাকায় এলাকায় রাস্তা খুঁড়ে একাধিক পরিষেবার লাইন পাতার কাজ চলছে। এসবে সমস্যা আরও বেড়েছে।ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, যেসমস্ত এলাকায় এধরনের রাস্তার কাজ হওয়ার কথা সেখানে পুরসভা বা সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতকে সঙ্গে নিয়ে শুখা মরশুমে জল দেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু সঠিকভাবে এই কাজগুলি না করার কারণে অত্যাধিক মাত্রায় ধুলো উড়ছে। চিকিৎসকদের দাবি, সাধারণত এই সময়ে শ্বাসকষ্টের সমস্যা হয়ে থাকে। তাতে ভয়ের কিছু নেই। তাপমাত্রার তারতম্যের জন্য অত্যাধিক গরম জামাকাপড় পরা বা কম পরিধান করার ফলে সমস্যা হয়ে থাকে। তবে ধুলো থেকে বাঁচতে মুখে মাস্ক ব্যবহার করা উচিত। মূলত যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছেন তাঁদের অবশ্যই বাড়ির বাইরে মাস্ক ব্যবহার করা উচিত।শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালের সুপার চন্দন ঘোষ বলেন, আমাদের হাসপাতালে বর্তমানে শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে অন্যান্য সময়ের চেয়ে বেশি রোগী আসছেন। আমরা সকলকে চিকিৎসা করার পাশাপাশি মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছি। উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক সন্দীপ সেনগুপ্ত বলেন, এই সময় শিশুদের বাড়তি নজরে রাখা উচিত। বাতাসে ধুলোর পরিমাণ বেশি থাকায় অকারণে বাড়ির বাইরে বের করা উচিত নয়। অতিরিক্ত গরম জামাকাপড় পরানো যেমন ঠিক হবে না তেমনই কোনওভাবে যাতে ঠান্ডা লেগে না যায় তাও খেয়াল রাখা উচিত। • নিজস্ব চিত্র।
  • Link to this news (বর্তমান)