• আড়াই ঘণ্টা ধরে নিউ চ্যাংরাবান্ধা স্টেশনে আটকে পদাতিক এক্সপ্রেস
    বর্তমান | ২২ জানুয়ারি ২০২৬
  • সংবাদদাতা, মেখলিগঞ্জ: অত্যাধুনিক মেশিন দিয়ে রেল লাইনের কাজ চলাকালীন হঠাৎ যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় আড়াই ঘণ্টার কাছাকাছি আটকে রইল পদাতিক এক্সপ্রেস। ঘটনাটি ঘটেছে, বুধবার কোচবিহার জেলার নিউ চ্যাংরাবান্ধা স্টেশনে। দীর্ঘক্ষণ ট্রেন ছাড়ার কোনও স্পষ্ট বার্তা না পেয়ে বহু যাত্রী বাধ্য হয়ে ট্রেন থেকে নেমে বাস ও ছোট গাড়ি ভাড়া করে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেন।  যদিও এনিয়ে এনএফ রেলের সিপিআরও কপিঞ্জলকিশোর শর্মাকে ফোন করা হলেও তিনি উত্তর দেননি। তবে জামালদহ-গোপালপুর স্টেশন ম্যানেজার রাতুল বিশ্বাস জানিয়েছেন, যান্ত্রিক সমস্যার কারণে লাইনের কাজ বন্ধ হয়ে যায় এবং তা সারাতে কিছুটা সময় লেগেছে। এতে আড়াই ঘণ্টার মতো ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। সমস্যার সমাধান হতে কতক্ষণ লাগবে, সেই বিষয়ে যাত্রীদের স্পষ্টভাবে জানানো সম্ভব না হওয়ায় বিভ্রান্তি ছড়ায়। পুরো বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে।রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, নিউ চ্যাংরাবান্ধা স্টেশন থেকে প্রায় ২০ কিমি দূরে জামালদহ গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপালপুর স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় রেল লাইনের কাজ চলছিল। সেই সময় পাশের বাঁশঝাড়ে লেগে কাজের মেশিনটির একটি তার ছিঁড়ে যায়। এর ফলেই সেটি বিকল হয়ে পড়ে এবং লাইনে সমস্যা তৈরি হয়।ঠিক সেই সময় শিয়ালদহ থেকে আলিপুরদুয়ারের দিকে যাচ্ছিল পদাতিক এক্সপ্রেস। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ট্রেনটিকে নিউ চ্যাংরাবান্ধা স্টেশনে থামিয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন রেলের আধিকারিকরা। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালিয়ে আড়াই ঘণ্টা পর সমস্যার সমাধান হয়। দুপুর আড়াইটে নাগাদ পদাতিক এক্সপ্রেস ফের গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেয়।ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই গোপালপুর সংলগ্ন এলাকায় ভিড় জমান স্থানীয় বাসিন্দারা। আবুল করিম, রতন রায় প্রমুখ জানান, রেল লাইনে মেশিন আটকে থাকার খবর শুনে তাঁরা ঘটনাস্থলে আসেন এবং জানতে পারেন যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।এই ট্রেনেই শিয়ালদহ থেকে ফিরছিলেন কামেশ্বর বর্মন, বিনয় বর্মন সহ আরও অনেকে। তাঁদের কথায়, চ্যাংরাবান্ধায় ঢোকার পরই জামালদহ-গোপালপুর অংশে রেল লাইনে মেশিন বিকলের খবর পাওয়া যায়। এরপরই ট্রেন থেমে যায়। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরও ট্রেন ছাড়ার কোনও নির্দিষ্ট তথ্য না মেলায় তাঁরা বাধ্য হয়ে বাসে চেপে বাড়ির পথে রওনা দেন। • এই লাইনেই কাজের সময় বিপত্তি ঘটে। - নিজস্ব চিত্র।
  • Link to this news (বর্তমান)