রাজ্য পর্যটন দপ্তর অনুমোদন দিলে হাওড়ায় শুরু হবে সার্কিট ট্যুরিজম
বর্তমান | ২২ জানুয়ারি ২০২৬
সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: হাওড়ার সমস্ত পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের ঘোরানোর জন্য সার্কিট ট্যুরিজম চাইছে হাওড়া জেলা পরিষদ। পর্যটকদের কীভাবে, কোথায় ঘোরানো হবে এবং কোথায় রাত্রিযাপন করানো হবে, সেই বিষয়ে বিশদ তথ্য রাজ্য পর্যটন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তারা অনুমোদন দিলে চলতি বছরেই এটা রূপায়ণ করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদী হাওড়া জেলা পরিষদ।জেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলির মধ্যে থাকছে হাওড়া রেল মিউজিয়াম, বেলুড় মঠ, বোটানিক্যাল গার্ডেন, আন্দুল রাজবাড়ি, গড়চুমুক জুওলজিক্যাল পার্ক, গাদিয়াড়া, পানিত্রাসে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি, উলুবেড়িয়া বাগনানের প্রাচীন কালী মন্দির, উদয়নারায়ণপুরের গড়ভবানীপুরের রানি ভবশঙ্করী স্মৃতি পর্যটন কেন্দ্র সহ অন্যান্য কয়েকটি জায়গা। ২৫টি হেরিটেজ স্পট ছাড়াও আরও ঐতিহাসিক জায়গা আছে হাওড়ায়। সার্কিট ট্যুরিজমে পর্যটকদের ঘোরানো শুরু হবে হাওড়া রেল মিউজিয়াম থেকে। সেখান থেকে বোটানিক্যাল গার্ডেন হয়ে আন্দুল রাজবাড়ি হয়ে পর্যটকদের নিয়ে আসা হবে উলুবেড়িয়া কালীবাড়ি। সেখান থেকে গড়চুমুক ও গাদিয়াড়া। এখানে পর্যটকদের রাতে থাকার ব্যবস্থা করা হবে। পরের দিন সকালে পর্যটকদের নিয়ে আসা হবে বাগনান কালীবাড়ি। সেখান থেকে পানিত্রাসে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি। পাশাপাশি এখানে কয়েকটি টেরাকোটার মন্দিরেও পর্যটকদের ঘোরানো হবে। সেখান থেকে পর্যটকদের নিয়ে আসা হবে উদয়নারায়ণপুরে রানি ভবশঙ্করী পর্যটন কেন্দ্রে। সন্ধ্যায় বেলুড় মঠে আরতি দেখে পর্যটকদের বেড়ানো শেষ হবে। হাওড়া জেলা পরিষদের বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ মানস বসু জানান, আমরা পুরো বিষয়টি ‘ম্যাপিং করে’ পর্যটন দপ্তরে পাঠিয়েছি। খরচের বিষয়গুলি বিবেচনা হচ্ছে। অনুমোদন পেলে সার্কিট ট্যুরিজম শুরু হয়ে যাবে। নিজস্ব চিত্র