ঝুলন্ত অবস্থায় এক বধূর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে বারাসতের হৃদয়পুরের একটি বাড়ি থেকে। তাঁকে শ্বশুরবাড়িতে খুন করার পরে দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন মৃতার মা-বাবা। যার ভিত্তিতে বধূর স্বামীকে গ্রেফতার করেছে বারাসত থানার পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, বধূকে খুন করা হয়েছে, না কি তিনি পরিস্থিতির চাপে আত্মঘাতী হয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বধূর দেহের ময়না তদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।
বারাসতের শান্তিনগরের একটি বাড়ি থেকে বুধবার পূজা মণ্ডল (২৬) নামে ওই বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মাত্র তিন বছর আগে বিয়ে হয়েছিল ওই তরুণীর। পূজার পরিবারের অভিযোগ, শ্বশুরবাড়িতে তাঁর উপরে অত্যাচার করা হত। সেই সঙ্গে স্বামীর সঙ্গেও তাঁর অশান্তি লেগে থাকত। এ দিন সকালে পূজার বাবা-মায়ের বাড়িতে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের খবর পৌঁছতেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়। পরিবারের তরফে বারাসত থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ গিয়ে তরুণীর দেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।
পূজার পরিবার পুলিশে খুনের অভিযোগ দায়ের করে দাবি করে, মৃতার স্বামী সুরঞ্জিত মণ্ডলই তাঁকে খুন করে দেহ ঝুলিয়ে দিয়েছেন। যার ভিত্তিতে পুলিশ প্রথমে সুরঞ্জিতকে আটক করে ও পরেতাঁকে গ্রেফতার করে। তদন্তকারীরা জানান, বিয়ের তিন বছরের মধ্যে যদি কোনও তরুণী আত্মঘাতীও হন, তবে সে ক্ষেত্রেও ভেবে দেখার বিষয় যে, কেন তিনি এমন পদক্ষেপ করতে বাধ্য হলেন। ময়না তদন্তের রিপোর্ট থেকেই সবটা পরিষ্কার হবে বলে আশা পুলিশের।