কলকাতা হাই কোর্ট এবং রাজ্যের জেলা আদালতগুলির পরিকাঠামোগত উন্নয়নে গড়িমসি নিয়ে আদালতের তীব্র অসন্তোষের মুখে পড়ল নবান্ন।
আদালতের নির্দেশ রাজ্য পালন করছে কি না এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানিতে কেন রাজ্যের কৌঁসুলিরা গরহাজির থাকছেন, তা নিয়ে বুধবার প্রশ্ন তুলেছে বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ। একই সঙ্গে এ দিন হাই কোর্ট প্রশাসনকেও তীব্র ভর্ৎসনা করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। এ দিন ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, একাধিক নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তা পালন করা হয়েছে কি না, সে ব্যাপারে কোনও তথ্য নেই। মামলা শুনানির জন্য উঠলেও রাজ্যের কোনও আইনজীবী উপস্থিত না-থাকায় শুনানি মুলতুবি থাকছে।
এই মামলায় এর আগে রাজ্যের অর্থসচিব, বিচারবিভাগীয় সচিবের সঙ্গে হাই কোর্টের রেজিস্ট্রারকে বৈঠক করে সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকে হাই কোর্ট প্রশাসনকে একটি নির্দিষ্ট ই-মেল আইডি তৈরি করে রাজ্যের কেন্দ্রীয় সার্ভারে কোর্টের বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য অর্থের আবেদন করতে বলেছিল রাজ্য প্রশাসন। কিন্তু এখনও সেই ই-মেল আইডি তৈরি করাই হয়নি।
এ দিন ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, দু’মাস হতে চললেও একটি ই-মেল আইডি তৈরি করা হয়নি। শুধু অজুহাতের পাহাড় খাড়া করা হচ্ছে!
রাজ্যের সংশোধানাগারগুলিতে বন্দিদের দুর্দশা সংক্রান্ত মামলারও শুনানি হয়েছে এ দিন। মামলাকারীদের আইনজীবী রঘুনাথ চক্রবর্তী অভিযোগ করেন, সব সংশোধনাগারেই নির্দিষ্ট সংখ্যার থেকে বেশি বন্দি আছে। আইনজীবী তাপসকুমার ভঞ্জের অভিযোগ, কারা দফতরে দীর্ঘদিন কর্মী নিয়োগ হয়নি।