আজকাল ওয়েবডেস্ক: রাজ্যে চলতে থাকা এসআইআর এবং সে প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে এবার ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন সাংসদ ও রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
বৃহস্পতিবার সল্টলেকে রাজ্য বিজেপি দপ্তরে এক প্রশ্নের উত্তরে শমীক জানান, "বিজেপি এরাজ্যে বেশ কয়েকজন ডব্লুবিসিএস আধিকারিক এবং বিএলওকে চিহ্নিত করেছে। তাঁদের অনেকের চাকরিই কিন্তু অনেকদিন বাকি। একটু অপেক্ষা করুন।"
বুধবার আশা কর্মীদের দাবি এবং সেই দাবির স্বপক্ষে তাঁদের মিছিল ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কলকাতা। রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে কলকাতায় এই মিছিলে সামিল হয়েছিলেন আশা কর্মীরা।
বৃহস্পতিবার শমীক জানান, বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি যে নির্বাচনী 'ম্যানিফেস্টো' তৈরি করা হবে সেখানে রাজ্যের আশা কর্মীদের জন্য ন্যুনতম মাসিক বেতনের বিষয়টি উল্লেখ করা হবে।
রাজ্য সরকারের পদস্থ আধিকারিক এবং বিএলও প্রসঙ্গে শমীকের এই মন্তব্যের সমালোচনা করে তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, "একেবারেই প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছেন শমীক। এর আগে তাঁর দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী বিএলওদের জেলে পাঠানোর কথা বলেছিলেন। এবার শমীক কিছুটা রাখঢাক করে হুমকি দিলেন। বিষয়টি আসলে একই। কেউ বলছেন বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে মারব আর কেউ বলছেন একে ৪৭ দিয়ে গুলি করব।"
রাজ্যে ইতিমধ্যেই এসআইআর শুনানি এবং সেই শুনানি ঘিরে নানারকম অপ্রীতিকর ঘটনার কথা সামনে আসছে। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে, মানুষকে ইচ্ছাকৃত হয়রানি করছে নির্বাচন কমিশন।
পাল্টা বক্তব্যে বিজেপির দাবি, সব জায়গায় গোলমালের পিছনেই তৃণমূলের উস্কানি। এদিন বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, "একমাত্র পশ্চিমবঙ্গেই এই গোলমাল হচ্ছে। যেটা হচ্ছে সেটা ঠিক নয়। এসআইআর শেষ না করে কিন্তু ভোটে যাওয়া যাবে না।"
এদিন বিজেপি রাজ্য দপ্তরে প্রাক্তন এক সরকারি আধিকারিক-সহ তিন ব্যক্তি বিজেপিতে যোগ দেন। তাঁদের যোগদান করিয়ে শমীক জানান, এঁরা তিনজনই সমাজের বিশিষ্টজন।
বিজেপিতে যোগদানকারী এই ব্যক্তিরা হলেন, অলোকপ্রসাদ রায়, তপনকুমার রায় এবং জয়প্রকাশ মিশ্র। এঁদের মধ্যে অলোকপ্রসাদ রায় রাজ্য সরকারের এক প্রাক্তন পদস্থ আধিকারিক এবং তপনকুমার রায় হলেন একজন চিকিৎসক।