সংবাদদাতা, ইটাহার: স্বামীর সঙ্গে বিবাদ করে রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন বধূ। বৃহস্পতিবার সকালে সরষে খেত থেকে তাঁর ক্ষতবিক্ষত অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধার হয়েছে বাবার বাড়ির কাছে ইটাহারের কোটার গ্রামে। মৃতার নাম রাবি খাতুন (২৮)।তাঁর বাবার বাড়ির অভিযোগ, স্বামী আনওয়ারুল হকই স্ত্রীকে খুন করেছে। ইটাহার থানায় লিখিত অভিযোগ হতেই পলাতক অভিযুক্ত। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।আট বছর আগে রায়গঞ্জ থানার ইটালের আনওয়ারুল হকের সঙ্গে বিয়ে হয় রাবির। দম্পতির দুই কন্যাসন্তান। আনওয়ারুল পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করে। মৃতার বাপের বাড়ির লোকজনের দাবি, কয়েক বছর থেকে স্বামীর সঙ্গে বিবাদ চলছিল রাবির। কয়েকবার দু’পক্ষ সালিশিতেও বসে। কিন্তু সংসারে অশান্তি কমেনি। কয়েকদিন আগেও দু’জনের মধ্যে ঝামেলা হয়। এরপর বুধবার সন্ধ্যা থেকে ওই বধূ নিখোঁজ ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে আনওয়ারুল স্ত্রীর খোঁজে শ্বশুরবাড়িও যায়। কিন্তু সেখানে পাওয়া যায়নি বধূকে। সকালে বাপের বাড়ির কিছুটা দূরে রাবির দেহ সরষে খেতে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। বধূর গলা, মাথা, মুখ সহ শরীরের একাধিক জায়গায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর চিহ্ন ছিল। মৃতার পরিবারের অভিযোগ, রাবিকে তাঁর স্বামীই খুন করেছে। মৃতার দাদা রফিকুল হক বলেন, থানায় বোনের স্বামীর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ জানিয়েছি।এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য ফাইজুল হকের বক্তব্য, নৃশংসভাবে মহিলাকে কোপানো হয়েছে। আমরা সঠিক তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ মেডিকেলের মর্গে পাঠায়। খুনের কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানানো হয়েছে।