• কে সি নাগের বই থেকে ২০০ বছরের পালঙ্ক, বিকোচ্ছে মেলায়
    বর্তমান | ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
  • সংবাদদাতা, বারুইপুর: ২০০ বছরের পালঙ্ক কিংবা কে সি নাগের অংক বই। সিলিং ফ্যান বা চাইলে পিতলের প্রাচীন ফুলদানি। আছে আদ্যিকালের ঘড়ি থেকে টুলু পাম্প। কি পাওয়া যায় না ভাঙা মেলায়! অক্সফোর্ডের ডিকশনারি যেমন আছে। তেমনই আছে স্টিলের আলমারি। হোম থিয়েটার আছে। তার পাশে রাখা হারমোনিয়াম। সে মেলায় গিয়ে কমদামে জিনিস কিনতে মানুষ পাগল। মন্দিরবাজারের দক্ষিণ বিষ্ণুপুরের মকরসংক্রান্তি মেলা খুবই জনপ্রিয়। এটিই পরিচিত ভাঙা মেলা নামে।২০ বছরের পালঙ্কটির দাম ৫৫ হাজার টাকা। এছাড়া শাল-সেগুনের খাটও মেলে। তার দাম মোটামুটি ১২ হাজার। অংক বই, ৩০ টাকা। ডিকশনারি ৫০। কেনাকাটি করে পেটপুরে খাবারদাবার খায় মানুষ। এগরোল থেকে বিরিয়ানি। মাংসভাত থেকে ঘুগনি কি পাওয়া যায় না?দক্ষিণ বিষ্ণুপুর মোড় থেকে মথুরাপুরের দিকে এগলে রাস্তার পাশেই বসে ভাঙা মেলা। বেশ কয়েকটা গেট আছে ঢোকার জন্য। রাস্তাতে বেশ যানজট হচ্ছে। এত জিনিসের সমাহারের মধ্যেও ভিড় সাউন্ড সিস্টেম কেনার। অধিকাংশ যুবক কিনছেন। সোফা বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৪ হাজার টাকায়। স্টিলের আলমারি ছ’হাজার। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ যেমন আসছেন তেমনই ভিড় কলকাতার মানুষের। ৪ হাজার টাকায় মিলছে হারমোনিয়াম। গিটার ১ হাজার টাকায়। ডিভিডি ৪০০ টাকায়। ৫ হাজার টাকা বড়ো রঙিন টিভির। মিক্সার গ্রাইন্ডার ৮০০ টাকা। শিল্পদ্রব্য সাজানোর শোকেস ৯ হাজার। টুলু পাম্প ৪ হাজার টাকায় কিনে নিয়ে যাচ্ছেন কৃষকরা। সিলিং ফ্যান ৮০০, বড়ো স্ট্যান্ড ফ্যান ২ হাজার টাকা। হোম থিয়েটার ১ হাজার। ল্যাপটপ ২ হাজার টাকা। ক্যামেরা হাজার টাকা। মেলায় ভিড় নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন ছিল মন্দিরবাজার থানার পুলিশ।  নিজস্ব চিত্র
  • Link to this news (বর্তমান)