কলেজের ক্লাসরুম থেকে উদ্ধার হয়েছে এক ছাত্রীর দেহ। ওই ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, আত্মহত্যা করেছেন ওই ছাত্রী। তবে কী কারণে তিনি এই চরম পদক্ষেপ করেছেন তা জানা যায়নি।
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম শিবানী আহির (১৯)। তাঁর বাড়ি পাটন জেলায়। গুজরাটের গান্ধীনগরে একটি বেসরকারি কলেজে পড়াশোনা করছিলেন তিনি।
গান্ধীনগরের সেক্টর -৭ এলাকায় জেএম চৌধুরী গার্লস হস্টেলে থাকতেন বিএ প্রথম বর্ষের ওই পড়ুয়া। বুধবার সন্ধ্যায় থেকে তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। কলেজ ক্যাম্পাসে থাকা হস্টেল থেকেই তিনি নিখোঁজ বলে জানার পরে খোঁজ শুরু হয়। তাঁকে না পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয় তাঁর পরিবারকে।
জানা গিয়েছে, পরিবারের সদস্যরা এসে পুলিশ এবং কলেজের নিরাপত্তা রক্ষীদের সঙ্গে তাঁকে শিবানীকে খুঁজতে শুরু করেন। পরে কলেজেরই একটি ফাঁকা ক্লাসরুম থেকে উদ্ধার হয় তাঁর দেহ।
পুলিশ সূত্রে খবর, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, ওই ক্লাসরুমের ডেস্কে দাঁড়িয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না বাঁধেন শিবানী। ডেস্ক থেকে নামার পরে নিজের মোবাইল ফোনও কিছুক্ষণ ঘাঁটাঘাঁটি করেন তিনি। এর পরে ফের ডেস্কে উঠে গলায় ফাঁস লাগান শিবানী।
গান্ধীনগরের ডেপুটি পুলিশ সুপার দিব্য প্রকাশ গোহিল জানিয়েছেন, এই নিয়ে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছে গান্ধীনগর সেক্টর -৭ থানায়। কী কারণে ওই ছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তাঁর মোবাইল ফোনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।