• ফের ইন্দোর, এবার মহু ক্যান্টনমেন্টে দূষিত পানীয় জল থেকে ছড়াল জন্ডিস, অসুস্থ বহু, চিকিৎসাধীন ১০ স্কুল পড়ুয়াও
    বর্তমান | ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
  • ইন্দোর: দূষিত পানীয় জল থেকে ফের বিষক্রিয়া। ফের শিরোনামে ডবল ইঞ্জিন মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর। বিষাক্ত পানীয় জল খেয়ে ইন্দোর শহরের ভগীরথপুরায় ছড়িয়েছিল ডায়ারিয়া। মৃত্যু হয়েছে শিশু সহ ২৫ জনের। এবার ইন্দোর জেলার মহু ক্যান্টনমেন্টের বিভিন্ন এলাকায় ছড়াল জন্ডিস। অসুস্থ অন্তত ২৪ জন। তাদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু। জনা দশেক স্কুল পড়ুয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই ঘটনায় ফের কাঠগড়ায় রাজ্যের বিজেপি সরকার।মহু ক্যান্টনমেন্টের চান্দের মার্গ, পট্টি বাজার ও মতি মহলের মতো এলাকাগুলিতে জন্ডিস ছড়ানোর খবর মিলেছে। তার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা মতি মহলের। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পানীয় জল ঘোলাটে। সঙ্গে দুর্গন্ধ। বিষাক্ত পানীয় জল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বহু মানুষ। বেশিরভাগই স্কুল পড়ুয়া। ইন্দোর শহরের মতো এখানেও পানীয় জলের পাইপ ফেটে তার সঙ্গে নিকাশির দূষিত জল মেশার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি আধিকারিকদের দাবি, বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্কুল পড়ুয়ার সংখ্যাটা দশের বেশি নয়। যদিও স্থানীয়রা বলছেন, প্রকৃত সংখ্যাটা আরও অনেক বেশি হতে পারে। অনেকেই চিকিৎসা করিয়েছেন বেসরকারি হাসপাতালে।মহু ক্যান্টনমেন্টের বিভিন্ন এলাকায় জন্ডিস ছড়ানোর সত্যতা স্বীকার করেছেন ইন্দোরের জেলাশাসক আশিস সিং ভার্মা। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, শিশুদের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। পরিস্থিতি মোকাবিলার লক্ষ্যে শুক্রবার থেকে বিস্তারিত হেল্থ সার্ভে শুরু হচ্ছে। মহু ক্যান্টমেন্ট বোর্ড ও জেলা প্রশাসনের টিম পানীয় জলের পাইপলাইনগুলি পরীক্ষার কাজ করবে। জলের নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। পাইপলাইনে লিকেজ কোথায় থাকলে, তা দ্রুত মেরামতির ব্যবস্থা করা হবে।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এলাকায় গিয়েছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী তথা স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক ঊষা ঠাকুর। তিনি বলেন, মূল সমস্যা হল এই এলাকাগুলিতে ড্রেনের পাশ দিয়েই পানীয় জলের পাইপ গিয়েছে। ফলে পানীয় জলের সঙ্গে দূষিত জল মেশার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সিইওর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। সমস্যার মূল কারণ খুঁজে তা নিরসনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
  • Link to this news (বর্তমান)