• বারাকপুর মহকুমায় বিজেপির জমা করা ফর্ম ৭ অবৈধ! বলল কমিশন
    বর্তমান | ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, ও সংবাদদাতা: বারাকপুর মহকুমায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেই অসহযোগিতার অভিযোগ তুলল বিজেপি। কমিশন সূত্রের খবর, বারাকপুর মহকুমায় বিজেপির জমা দেওয়া ৭ নম্বর ফর্মের কোনো বৈধতা নেই। অধিকাংশ ফর্মের ক্ষেত্রে যে নথিপত্র দেওয়া উচিত, সঙ্গে তা দেওয়া হয়নি। ফলে সেই ফর্ম গ্রহণ করা হচ্ছে না। বিজেপির ক্ষোভের কারণ এটাই।কমিশনের ওই সূত্রের খবর, একসঙ্গে যে-সমস্ত ৭ নম্বর ফর্ম নিয়ে বিজেপি নেতারা এসেছিলেন, তা জমাই নেওয়া হয়নি। পানিহাটি, কামারহাটিসহ কয়েকটি বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি এমন বহু ৭ নম্বর ফর্ম জমা দিয়েছে, যেগুলিতে অভিযোগকারীর ঠিকঠাক সই নেই। এমনকি যে ভোটারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, তাঁর এপিক কার্ডও জমা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। কমিশনের এক কর্তা জানান, এপিক কার্ড জমা না-দিলে, দিতে হবে অভিযোগকারীর নির্ভুল নাম এবং মোবাইল নম্বর। তা না-হলে সেই ফর্ম গ্রাহ্য হবে না। তাই যেসব ফর্ম জমা পড়েছে, সেগুলি বৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না।বিজেপির বারাকপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তাপস ঘোষ বলেন, ‘আমরা ভাটপাড়া বিধানসভা ক্ষেত্রে ২৬ হাজারের কিছু বেশি ফর্ম জমা দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সেগুলি জমা নেওয়া হয়নি। নির্বাচন কমিশন সবরকমভাবে আমাদের সঙ্গে অসহযোগিতা করেছে।’এদিকে, এসআইআরের বিরোধিতায় প্রতিবাদ চলছেই। শুনানিতে হয়রানির অভিযোগে দত্তপুকুর দীঘা মোড় এলাকায় টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান বাসিন্দারা। ঠাকুরবাড়িতে মতুয়া সাধু গোঁসাইদের মারধরের ঘটনায় বাগদার একজনকে আগেই পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল। শুক্রবার বাগদার হেলেঞ্চায় অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের অনুষ্ঠানে গিয়ে বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর বললেন, ‘এই কাণ্ডে যাঁরা ঘটনাস্থলে ছিলেন না তাঁদেরকে ভয় দেখানো হচ্ছে।’এই বিষয়ে তৃণমূল এমপি মমতা ঠাকুরের বক্তব্য মেলেনি। তাঁর তরফে অল ইন্ডিয়া মতুয়া সংঘের সাধারণ সম্পাদক সুকেশ চৌধুরী বলেন, ‘মমতা ঠাকুর ক্ষমতা দেখালে অভিযুক্ত সকলেই গ্রেপ্তার হয়ে যেত।’ এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন জায়গায় দাবি করা হচ্ছে, ভোটের লোভে মতুয়াদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে বিজেপি। তারা রাজনীতি করছে সিএএ নিয়ে।
  • Link to this news (বর্তমান)