পার্থ চৌধুরী: বর্তমানে পূর্ব বর্ধমানের রায়নার বিধায়ক, সদ্য প্রাক্তন সভাধিপতি। তার আগে ছিলেন সহকারী সভাধিপতি। সেই শম্পা ধাড়াও শনিবার এসআইআরের শুনানির ডাকে হাজির। লাইন দিয়ে একের পর এক ডকুমেন্ট হাতে উগরে দিলেন ক্ষোভ।
এস আই আর বিরোধিতায় নতুন লাইন নিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা। সেই উচ্চগ্রামে তার বেঁধে শম্পার দাবি, হয়রানি না কমলে ধর্নায় বসবেন।
সংবাদমাধ্য়মে শম্পা বলেন, আমি তপশিলী জাতির মেয়ে। ৩ বারের জন প্রতিনিধি। মেয়েদেরও হয়রানি করা হচ্ছে। রায়না বিধানসভার একটাও বৈধ ভোটার বাদ গেলে কমিশনের সামনে অনশনে বসব।
রায়না ১ নম্বর বিডিও অফিসে শনিবার শুনানি পর্বে হাজির ছিলেন বিধায়ক শম্পা ধাড়া। তাঁর অভিযোগ,নির্বাচন কমিশন ইচ্ছাকৃত ভাবে মানুষকে হয়রানি করছে। বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে শুনানিতে ডেকে পাঠিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। তিনি একজন জনপ্রতিনিধি। তিনবারই নির্বাচনে লড়ার সময় সমস্ত তথ্য নির্বাচন কমিশনকে দিয়েছিলেন। তখন তো কমিশনই স্ক্রুটিনি করেছিল। সমস্ত ডক্যুমেন্ট দেওয়া হয়েছে। তাও ডাকার মানে কী?
শম্পার হুঁশিয়ারি, 'রায়না বিধানসভার একটাও বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়লে নির্বাচন কমিশনের অফিসের সামনে ধর্নায় বসব। আগামিদিনে আরও বড় আন্দোলন গড়ে তুলব।
বিধায়কের অভিযোগ নিয়ে শাসকদলকেই পালটা দিয়েছেন বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র। তাঁর কথায়,'উনি তপশিলী সেন্টিমেন্ট খেলছেন। ওঁদের আমলে সবচেয়ে নির্যাতিত তপশিলীরা। তখন ক'বার আওয়াজ তুলেছেন! নামের বানান ভুল থাকলে ডাকতে পারে। আমাকেও তো ডেকেছে।'