প্রদ্যুত দাস: নদীতে জ্বালানির কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়েছিল। সেখান থেকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যায় বর্বর বৃদ্ধ। নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ঘটনাটি কোচবিহারের মেখলিগঞ্জের জামালদহে। শনিবার রীতিমত রণক্ষেত্রের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় জামালদহে।
ঘটনার পর জামালদহ ফাঁড়িতে স্থানীয়রা বিক্ষোভে নামেন। তারা অভিযুক্তের দ্রুত শাস্তি দাবি করেন। রাস্তা অবরোধ থেকে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ। ইটবৃষ্টিতে মেখলিগঞ্জ থানার ওসি আহত হন এবং পুরো এলাকা এক রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে জামালদহ সচেতন নাগরিক মঞ্চ রবিবার ১২ ঘণ্টার বন্ধ ডাকার ঘোষণা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ধর্ষণের মতো পাশবিক অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং দোষী ব্যক্তিকে দ্রুত শাস্তি দেওয়া হোক।
আরও জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত বৃদ্ধ নির্যাতিতার পাশের বাড়িতেই থাকে। ইতোমধ্যেই ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত বৃদ্ধকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি বিক্ষোভে আইন ভাঙার অভিযোগে আটক করা হয়েছে বেশ কয়েকজনকে।
অন্যদিকে, জলপাইগুড়ির ধুপগুড়িতে ভয়ংকর ঘটনা ঘটে। কেরালায় কাজ করতেন ধুপগুড়ির শ্রীকান্ত বর্মন। সম্প্রতি বাড়ি ফিরে জানতে পারেন, স্ত্রী প্রতিবেশী দেওরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছে। শুধু তাই নয়, স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বাও। তার পরই স্ত্রীকে তার প্রেমিকের হাতে তুলেও দেন শ্রীকান্ত।
গত সপ্তাহে রবিবার ওই ঘটনার পর ২৪ জানুয়ারি শনিবার ঘটে যায় ভয়ংকর ঘটনা। দা দিয়ে স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন করে শ্রীকান্ত বর্মন। জলপাইগুড়ির ধুপগুড়ির ২ নম্বর ওয়ার্ডের রায়পাড়া এলাকার ঘটনা। স্ত্রীকে খুন করে অস্ত্র হাতে থানায় দৌড়লেন শ্রীকান্ত। খবর জানাজানি হতেই তোলপাড় এলাকা। স্থানীয় মানুষজনের বক্তব্য, স্ত্রীর পরকীয় সম্পর্কের কথা জানতে পেরেই শ্রীকান্ত স্ত্রীকে ওই যুবকের হাতে তুলে দেন। শনিবার সকালে শ্রীকান্ত ওই যুবকের বাড়িতে হাজির হন। তার পরেই ওই ভয়ংকর ঘটনা ঘটে যায়। পুলিস সূত্রে খবর, মৃতা মহিলার নাম সোমা রায় বর্মন(৩২)।
স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, স্বামীই স্ত্রীকে খুন করেছে। ওর বউ অন্য একজনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিল। শনিবার সকালে এসে ছেলেটা বউকে মার্ডার করে দিয়েছে। ঘটনার পরই অস্ত্র হাতে থানায় আত্মসমর্পণ করে শ্রীকান্ত।