• SIR শুনানি: 'হয়রানি'র অভিযোগ মন্ত্রী শশী পাঁজার
    আজকাল | ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: এসআইআর শুনানিতে গিয়ে চরম হয়রানির মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে। অভিযোগ তুললেন রাজ্যের শিল্প এবং নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা। রবিবার দুপুরে সমস্ত নথি হাতে নিয়ে গিরিশ পার্কের শুনানিকেন্দ্রে হাজিরা দেন মন্ত্রী। শুনানি শেষে বাইরে বেরিয়ে রীতিমত ক্ষোভ উগরে দেন কমিশনের বিরুদ্ধে। হয়রানির অভিযোগ তোলেন।

    সাংবাদিকদের শশী পাঁজা বলেন, "অবাক হয়ে গেলাম, আমার নাম আছে ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় ছিল। সেই বানানের সঙ্গে এখনকার বানানের কোনও ফারাক নেই। তা সত্ত্বেও নাম নেই বলে আমার কাছে নথি চাওয়া হল। আমার কাছে ১১টা নথি চেয়েছে। এতেই আমি স্তম্ভিত। এতেই আশপাশের সকলে রিঅ্যাক্ট করেন। তাহলে ভাবুন সাধারণ মানুষের কি অবস্থা হচ্ছে! তাঁদের কথা কে শুনবে। আমি সেসব দেওয়ার পর পাসপোর্ট চাইছে! কিন্তু অনেকেরই এটা না থাকতে পারে। আমি পাসপোর্ট দেখাব না, এটা আমার প্রতিবাদ। "

    মন্ত্রী আরও বলেন, "এ ধরনের বিষয়গুলোই হেনস্থা। এটা অন্যায়। এটা চলতে পারে না। এবার দেখা যাক তিনবারের মন্ত্রীর নাম ভোটার তালিকায় তোলে কিনা।"

    শশী পাঁজার অভিযোগ, অ্যাপের গলদে কমিশনের অনলাইন তালিকায় ২০০২ সালে তাঁর নাম দেখাচ্ছে না। এটা লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নয়।

    পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে গর্জে উঠেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটারদের হয়রানি করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও এ বিষয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে একাধিক চিঠি পাঠিয়েছেন। শুনানি পর্বেও বাংলায় আতঙ্কে মৃত্যুমিছিল জারি রয়েছে। 

    উল্লেখ্য, প্রাক্তন কংগ্রেস ও তৃণমূল সাংসদ অজিত পাঁজার পুত্রবধূ শশী পাঁজা। ২০১১ সালের বিধানসভা ভোটে তিনি প্রথমবার শ্যামপুকুর কেন্দ্রে জোড়াফুল প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। জিতে বিধায়ক ও মন্ত্রী হন। পরে ২০১৬ ও ২০২১ সালের ভোটেও জয়ের ধারা বজার রাখেন শশী পাঁজা।
  • Link to this news (আজকাল)