সঠিক সময়ে SIR তালিকা প্রকাশ না করলে ভোট হবে না: হুমায়ুন কবীর
আজ তক | ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের পৃষ্ঠপোষক তিনি। তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর জনতা উন্নয়ন পার্টির নামে নিজের আলাদা দল গড়েছেন। আর এরপর প্রায় নিয়ম করে ভোটের পর তৃণমূল সরকার আর থাকবে না বলেই দাবি করছেন। এখানেই শেষ নয়, রাজ্যে SIR-এর প্রক্রিয়া শেষ করে সঠিক সময় অর্থাৎ ২০২৬-এর ২৫ এপ্রিলের মধ্যে ভোট হবে কিনা তা নিয়েও যথেষ্ট সন্দিহান তিনি। তাঁর মতে ওই সময়ের মধ্যে ভোট না হলে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়ে যাবে ৫ মে রাত বারোটার পর। এখানেই শেষ নয় তাঁর বিস্ফোরক দাবি, রেজিনগর ও বেলডাঙাতে ৩০ হাজার ভোটে তৃণমূলকে না হারালে নাকে খত দেবেন সাসপেন্ড বিধায়ক। এতক্ষণে নিশ্চয় বুঝে গিয়েছেন কে এই মন্তব্য করেছেন। তিনি আর কেউ নন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। বারাসাতের রবীন্দ্রভবনে নিজের দল জনতা উন্নয়ন পার্টির ২৪ পরগনা জেলা কর্মী সম্মেলনে যোগ দেন হুমায়ুন কবীর। পরে সাংবাদিকদের বলেন, রেজিনগর ও বেলডাঙাতে ৩০ হাজার ভোটে তৃণমূলকে না হারালে তিনি নাকে খত দেবেন।
হুমায়ুন বলেন, কোন দলের কী পলিসি হবে, কারা প্রার্থী হবেন, কার সঙ্গে তারা আসবেন, সেটা তাদের বিষয়। আমি সরাসরি বলেছি বর্তমানে যে সরকার রয়েছে, তারা দুর্নীতিতে ডুবে গিয়েছে। মানুষ আবার এই সরকারের পরিবর্তন চাইছে। হুমায়ুন বলেন, বিজেপির কোনও সাহায্যের দরকার নেই। বিজেপিকে আগামী দিনে বাংলার রাজনীতিতে টিকে থাকতে গেলে বা ৭৭ আসনে পৌঁছাতে গেলে আমাদের মতো লোকের সাহায্য চাইতে হবে। না হলে আমাদের মত ধর্মনিরপেক্ষ দল গুলি একত্র হয়েও বিজেপিকেও আসতে দেব না, দুর্নীতিযুক্ত তৃণমূল ও মমতা ব্যানার্জিকে চতুর্থ বারের জন্য রাজ্যে ক্ষমতায় আসতে দেব না।
হুমায়ুন বলেন, রাজ্যের মুসলিমরা যেভাবে মমতা সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধিতায় নেমেছে, সেক্ষেত্রে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছে মমতা সরকার। ঝাড়খন্ডে বেলেডাঙার যুবকের মৃত্যুর ঘটনাকে অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা বলে চালানোর চেষ্টা হচ্ছে। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি সঠিক সময়ে এস আই আর এর চূড়ান্ত তালিকা বের করতে না পারে, সে ক্ষেত্রে নির্বাচনই হবে না। দেখা যাবে ৫ মে তারিখে স্বয়ংক্রীয়ভাবে ৩৫৬ ধারা চালু হয়ে যাবে রাজ্যে। তখন মমতার পুলিশ কোথায় যাবে দেখা যাবে। হুমায়ুন কবীর জানান, ১১ ফেব্রুয়ারি বুধবার বেলা ১০ টা থেকে কোরান তেলাওয়াত পাঠ হবে। দুপুর ১২ টা থেকে বাবরি মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হবে। এটাই আমাদের নির্ধারিত কর্মসূচি। কেরলের একটি সংস্থাকে এই মসজিদ নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।