সময়মতো শুনানি কেন্দ্র—কেশব অ্যাকাডেমিতে হাজির হন তিনি। নথি সংক্রান্ত বিষয়ে সমস্যা থাকার জন্যে এ দিন দু’বার শুনানি কেন্দ্রে যেতে হয় তাঁকে। নথি নিয়ে অযথা হয়রানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি। এ দিন শুনানি কেন্দ্রে যাওয়ার পরেই নিজের নথি হিসেবে আধার কার্ড জমা দেন শশী পাঁজা।
কিন্তু তাঁর কাছ থেকে অন্যান্য নথি চাওয়া হয় বলে দাবি মন্ত্রীর। তিনি জানিয়েছেন, ‘১১টি নথি ওরা গ্রহণ করছে, সেসব সকলের কাছে থাকা অসম্ভব। আমার পাসপোর্ট আছে, অনেকেরই নাও থাকতে পারে। আমি আমার পাসপোর্ট দেখাব না, এটা প্রতিবাদ।‘ তিনি শুনানি কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে এলে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য বিএলও-রা অনুরোধ করেন। মন্ত্রী দ্বিতীয়বার শুনানি কেন্দ্রে যান । ফের পাসপোর্ট চাওয়া হলে তিনি ইআরওকে ফোন করেন।
পরে সাংবাদিকদের তিনি জানান, ‘ইআরও-র সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে। ২০০২-এর তালিকায় নাম থাকলে একটি ডকুমেন্ট দেখালেই হবে। খাতায় কলমে এক নিয়ম রয়েছে। এখানে অন্য নিয়ম শোনানো হচ্ছে। নিয়ম মেনে কাজ হচ্ছে না।’ পাশাপাশি, দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর জন্য সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে বলে কমিশনের বিরুদ্ধে সুর চড়ান শশী পাঁজা।
২৭ অক্টোবর থেকে বাংলা সহ একাধিক রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে শুরু হয়েছে বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া। বাড়ি বাড়ি এনুমারেশন ফর্ম বিলি ও পূরণ করে জমা দেওয়ার পর্ব শেষ হয়ে গেছে। দ্বিতীয় ধাপে চলছে শুনানি পর্ব। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি, ম্যাপিংয়ে সমস্যা-সহ একাধিক কারণে বহু ভোটারকে শুনানিতে তলব করা হচ্ছে। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন, জয় গোস্বামী, দেব-সহ বহু বিখ্যাত মানুষ এসআইআরের শুনানিতে ডাক পেয়েছেন। এবার সেই তালিকায় যোগ হল রাজ্যর মন্ত্রী তথা বিধায়ক শশী পাঁজার নাম।
অন্যদিকে দেবাংশু ভট্টাচার্য এদিন ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন তিনিও এসআইআর-এর শুনানিতে ডাক পেয়েছেন। এবিষয়ে দেবাংশু জানান, তিনি নোটিস এখনও হাতে পাননি। ২০০২ সাল থেকে সব কার্ডে ওর পরিবারের সবার নামের বানান এক, মিডল নামও আলাদা কিছু নেই। ফলে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সিতে ডাকার প্রশ্ন নেই। নোটিস হাতে পেলে সঠিক কারণ জানতে পারবেন বলে জানিয়েছেন।