• বেলডাঙায় কেশর চাষ করে তাক লাগিয়ে দিলেন শিক্ষক
    বর্তমান | ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
  • সংবাদদাতা, বহরমপুর: বেলডাঙার রুক্ষ মাটিতে কাশ্মীর উপত্যকার মতো কেশর বা জাফরান চাষ করে তাক লাগালেন স্কুলশিক্ষক রূপেশ দাস। উপত্যকার টিউলিপ ফুলের চাষও করেছেন তিনি। রূপেশবাবু বলেন, এখানে আবহাওয়া উষ্ণ ও কেশর চাষের প্রতিকূল। তবু সঠিক পরিচর্যার কারণেই তা সম্ভব হয়েছে। এবার ১০টির বেশি জাফরান গাছ ফলিয়েছেন রূপেশবাবু। অন্য প্রদেশের ফুল ও ফলের চাষ করাই তাঁর শখ।রূপেশবাবু বেলডাঙা চক্রের নওপুকুরিয়া নতুনপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তাঁর শখের বাগানে হিমাচলপ্রদেশের আপেল, পিচ, পার্সিমন, অ্যাপ্রিকট, ব্লু-বেরির মতো নানা ফলের গাছ রয়েছে। বিদেশি জাতের আঙুরও চাষ করেছেন তিনি। এর আগে ছ’টি আপেল গাছে ভালো ফল এসেছিল। এবার ৪০টি টিউলিপও ফুটেছে।বাংলার মাটিতে কেশর বা জাফরান চাষ খুব একটা দেখা যায় না। অক্টোবর মাসে অনলাইন অর্ডার দিয়ে কিছু জাফরানের কন্দ এনেছিলেন রূপেশবাবু। সেগুলি প্রথমে দ্রবণে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রেখে ছত্রাকমুক্ত করেন। তারপর রোদে শুকিয়ে অন্ধকার ঘরে একটি কাঠের বাক্সে রেখে দেন। বালি, কোকোপিট, সামান্য মাটি এবং অল্প পরিমাণে ভার্মিকম্পোস্ট মিশিয়ে এই গাছের উপযুক্ত মাটি প্রস্তুত হয়। রূপেশবাবু বলেন, ডিসেম্বর মাসে সেগুলি রোপণ করেছিলাম। খুব সকালের সামান্য রোদ ও অল্প পরিমাণ জল পেতেই তাড়াতাড়ি শিকড় বাড়তে শুরু করে। আর্দ্রতার জন্য গাছের চারপাশে জলের পাত্র রেখেছিলাম। তাপমাত্রা ১৭-২২ডিগ্রির কাছাকাছি এলে সামান্য জৈব পটাশ দিতেই ফুলের কুঁড়ি বের হতে শুরু করে। এই কেশর ফুল প্রায় ছ’সাতদিন সতেজ থাকে। আগামী দিনে একটি বাগানে টিউলিপ ও কেশর চাষের ইচ্ছে আছে।
  • Link to this news (বর্তমান)