নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: শুনানি কেন্দ্রে ভোটারকে সহযোগিতা করায় আক্রান্ত সিপিএমের বিএলএ। দেওয়াল লিখতে গিয়ে আক্রান্ত বিজেপির মণ্ডল সভাপতি, নেতা-কর্মীরা। শনিবার কামারহাটি ও ঘোলা থেকে বিরোধীদের উপর এমন হামলার অভিযোগ মিলেছে। অভিযোগ, শাসকদলের নেতারা দাঁড়িয়ে থেকে হামলায় নেতৃত্ব দিয়েছেন। যদিও শাসকদলের তরফে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট ধারায় মামলা করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।শনিবার সকালে বিলকান্দা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের মহিষপোতা এলাকায় মণ্ডল সভাপতি তন্ময় গুহের নেতৃত্বে দেওয়াল লিখছিল বিজেপি। তখন তৃণমূল কর্মীরা এসে তাতে বাধা দেন বলে অভিযোগ। কিন্তু বাধা উপেক্ষা করেই দেওয়াল লিখনের কাজ চালিয়ে যায় বিজেপি নেতৃত্ব। এরপর পঞ্চায়েতের উপপ্রধান প্রবীর দাসের দলবল এসে বিজেপি নেতা, কর্মীদের উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। তন্ময় গুহ বলেন, প্রথমে ওঁরা আমার হাত থেকে মোবাইল ছিনিয়ে রাস্তায় আছড়ে ভেঙে দেয়। এরপর লাথি মেরে আমাকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করে। সোনার চেন গলা থেকে ছিনিয়ে নেয়। দলের বাকি কর্মীদেরও মারধর করে তাড়িয়ে দেয়। পঞ্চায়েতের উপপ্রধান প্রবীর দাস বলেন, ভিত্তিহীন অভিযোগ। প্রচার পেতে ওঁরা মিথ্যে নাটক করছেন। আমাদের কোনও কর্মী ওঁদের মারধর করেননি।অন্যদিকে, কামারহাটি পুরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের ১০ নম্বর বুথে সিপিএমের বিএলএ মুমতাজ আলি আনসারি শনিবার ছিলেন এলাকার ইউনিয়ন কলেজিয়েট হাই স্কুলে শুনানি কেন্দ্রে। তখন কামারহাটির তৃণমূল নেতা তথা জেলা আইএনটিটিইউসির সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান ওরফে গুড্ডু দলবল নিয়ে শুনানি কেন্দ্রে আসেন বলে অভিযোগ। এরপর মুমতাজ সাহেবকে শুনানি কেন্দ্র থেকে চলে যাওয়ার ফরমান জারি করেন আনিসুর। তিনি তাতে সম্মত না হওয়ায় হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি মারধরও করা হয়। এই ঘটনায় কামারহাটি থানায় আনিসুর রহমান ও সামসের নামে এক ব্যক্তির নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। যদিও আনিসুর সাহেব মারধরের অভিযোগ উড়িয়ে বলেন, সিপিএম পরিকল্পিত মিথ্যাচার করছে। ওদের বিএলএ আমাদের বিএলএকে কাজ করতে বাধা দিয়েছিলেন। তা জেনে আমি গিয়ে প্রতিবাদ করেছি। রাজনৈতিক কারণে আমার নামে মিথ্যা কেস দেওয়া হয়েছে। আমিও থানায় অভিযোগ জানিয়েছি।