নন্দীগ্রামে সব হিন্দু বাড়িতে ধ্বজা, মন্দিরে মাইক ও সিসিটিভি লাগানোর পরামর্শ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। নন্দীগ্রাম-২ ব্লকের রানিচকে সমবায় সমিতির ভোট ঘিরে রবিবার ধুন্ধুমার হয়। সেই ঘটনায় বিজেপির লোকজন আক্রান্ত হন, এমনই অভিযোগকে সামনে রেখে সোমবার সেখানে যান শুভেন্দু। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘এত ভয় পেলে লড়বেন কী করে?’
এর পরেই শুভেন্দু বলেন, ‘আগামিকাল সকালের মধ্যে সব হিন্দু ঘরে ধ্বজা লাগাতে হবে। সমস্ত জায়গায় ভালো সিসিটিভি নিয়ে এসো। কলকাতা থেকে সিসিটিভি নিয়ে এসো, যত টাকা লাগে আমি দেবো। যত সিসিটিভি, আমার MLA অফিসে চিপ থাকবে। আর সব মন্দিরে মাইক লাগাও, সকলকে শঙ্খ বিতরণ করো।’ যদিও বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর এই বার্তাকে ধর্মে ধর্মে বিভেদের চেষ্টা বলে তোপ দেগেছে তৃণমূল।
রবিবার সমবায় সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে নন্দীগ্রাম-২ ব্লকের রানিচক। সেই ঘটনায় তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ ওঠে। যদিও উভয়পক্ষই নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে। এরই মধ্যে সেই গ্রামে পৌঁছে যান শুভেন্দু অধিকারী।
শুভেন্দু জানান, আক্রান্ত পরিবারগুলিকে আর্থিক সাহায্যের পাশাপাশি আইনি লড়াইয়েও সব রকম সহযোগিতা করা হবে। যদিও তমলুক সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি সুজিতকুমার রায়ের বক্তব্য, ‘এ সব আসলে ধর্মীয় ভেদাভেদ সৃষ্টি করে এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা। এই ভাবে ধর্মীয় ভেদাভেদ করে ভোটের বৈতরণী পার হওয়া যায় না। সমবায় নির্বাচনে শুধুমাত্র সংখ্যালঘু প্রার্থী জয়লাভ করেননি, হিন্দুরাও করেছেন। আমরা সর্বধর্ম সমন্বয়ে বিশ্বাসী। মনুষ্যত্বই সবার উপরে।’