• ভোল বদল কাঁচা পুকুরের, সুদৃশ্য বাঁধানো ঘাট, পুকুর ঘিরে সৌন্দর্যায়ন বাঁশদ্রণীর দিনেশ নগরে
    বর্তমান | ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
  • অর্ক্য দে, কলকাতা: কাঁচা পুকুর। আশপাশে আগাছা ভর্তি। তবে, পুকুরটি ব্যবহারযোগ্য ছিল। পাড়ার লোকেরা স্নান সারতেন। তবে, ওই টুকুই। সেভাবে যে পুকুরটি খুব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ছিল এমনটাও নয়। বাঁশদ্রোণী এলাকার সেই পুকুর সংস্কার হয়েছে। সাফ হওয়ার পর এখন টনটলে জল। তৈরি হয়েছে শান বাঁধানো ঘাট। দিনেশ নগরের সেই পুকুর ঘিরে তৈরি হয়েছে এলাকার নতুন ‘আড্ডা জোন’। বাঁশদ্রোণী এলাকার দিনেশ নগর অঞ্চল মধ্যবিত্ত, নিন্মবিত্ত এলাকা। পাড়ার অনেকেই প্রায় দেড় একর জায়গাজুড়ে থাকা এই পুকুরে স্নান করেন। নানা কাজে পুকুরের ব্যবহার হয়। পুজোয় ঠাকুর ভাসান দেওয়া থেকে ছোটপুজো-সবটাই এই পুকুরে হয়ে থাকে। কিন্তু, সেই পুকুর এতদিন কাঁচা ছিল। কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগের ফান্ডে প্রায় ১ কোটি ১২ লক্ষ টাকা খরচে পুকুরের সংস্কার হয়েছে। পাড় বাঁধাই করা হয়েছে। একাধিক দিকে তৈরি হয়েছে মার্বেল বাঁধানো প্রশস্ত সিঁড়ি। যেখানে সহজেই প্রতিমা নিরঞ্জন করা যাবে। ছটপুজোর জন্যও অস্থায়ী ঘাট বানানোর প্রয়োজন পড়বে না। সেই সঙ্গে পুকুরের চারপাশে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। গাছ লাগিয়ে বাগানো বানানো হয়েছে। তৈরি হয়েছে বসার জায়গা। লাগানো হয়েছে সুদৃশ্য আলোকবাতি। রবিবার নবকলেবরে নির্মিত সেই পুকুরের উদ্বোধন করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দা রজনী বসাক বলেন, পুকুরটার চেহারাই বদলে গিয়েছে। চারপাশ বাঁধিয়ে ঝা-চকচকে হয়েছে। কেউ চাইলে পুকুর পাড়ে বসে অনায়াসেই শীতের রোদ পোহাতে পারে। এলাকায় আড্ডা মারা, বিশ্রাম করার জন্য আলাদা একটা ভালো জায়গা হয়ে গেল।স্থানীয় ১১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অনিতা কর মজুমদার বলেন, পুকুরটার অবস্থা খুব খারাপর ছিল, এমনটা নয়। এলাকাবাসী ব্যবহার করত। তবে, কাঁচা পুকুর ছিল। তাই সেটাকে সংস্কার করে নতুন রূপ দেওয়া হয়েছে। আরও ভালো করে জলাশয়টা সংরক্ষণ করা হল।পুরসভার নিকাশি বিভাগের এক কর্তা বলেন, কেন্দ্রের তরফে বিপর্যয় মোকাবিলা খাতে বিশেষ বরাদ্দ মিলেছিল। সেই টাকায় পরিবেশবান্ধব কিছু কাজ করার শর্ত ছিল। তাই সেই বরাদ্দে একাংশ দিয়ে এমন জশালয় সংরক্ষণ করার কাজ হয়েছে।
  • Link to this news (বর্তমান)